পুরভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে 'বিভ্রান্তি'! আইপ্যাক-প্রশান্ত কিশোরের অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৃণমূলের অভ্যন্তরে

ডিসেম্বরের শেষের দিকে প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের (Trinamool Congress) অভ্যন্ত। যদিও পরে তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেরকম কিছু হয়নি। তবে শুক্রবার ১০৭ টি পুরসভার প

ডিসেম্বরের শেষের দিকে প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) অবস্থান নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের (Trinamool Congress) অভ্যন্ত। যদিও পরে তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেরকম কিছু হয়নি। তবে শুক্রবার ১০৭ টি পুরসভার প্রার্থী তালিকা নিয়ে তৃণমূলে বিভ্রান্তি (question) সামনে এসে পড়েছে। যা নিয়ে কোনও কোনও জায়গায় রাতেও বিক্ষোভ হয়। অনেক নেতাই তালিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেই তালিকা তৈরিতে প্রশান্ত কিশোরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, দলের প্রভাবশালী নেতারাই।

বিকেলে বলা হয়েছিল, অনুমোদন মমতার

বিকেলে বলা হয়েছিল, অনুমোদন মমতার

শুক্রবার বিকেলে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্তি, তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসের মতো নেতারা। সেই তালিকায় নাম দেখিয়ে বলা হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তালিকার অনুমোদন করেছেন। আরও বলা হয়েছিল, জেলা সভাপতিদের কাছে তালিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট জেলা তালিকা জেলা থেকে প্রকাশ করা হবে।

প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তে

প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তে

যদিও তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয় এর পরে। অফিসিয়াল ফেসবুক পেলে এবং মিডিয়া গ্রুপে প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। যেখানে যেখা যায় সাংবাদিক সম্মেলনে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকার থেকে কোনও কোনও ক্ষেত্রে আলাদা। যা নিয়ে বিক্ষোভ, অবরোধ শুরু হয়ে যায় উত্তরে মাথাভাঙা থেকে দক্ষিণে কাঁথি, সর্বত্রই। একাধিক নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানানোর পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান সামাজিক মাধ্যমে যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তা ঠিক নয়। কারণ হিসেবে বলা হয় সেখানে নেতৃত্বের কোনও স্বাক্ষর নেই। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সামাজিক মাধ্যমে যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, তা করেছিল আইপ্যাক।

সন্ধের পরে 'ঠিক' তালিকা প্রকাশ

সন্ধের পরে 'ঠিক' তালিকা প্রকাশ

সন্ধের পরে ফের একবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে সুব্রত বক্সি এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর করা ছিল। সেই তালিকায় বেশ কিছু পরিবর্তনও দেখা যায়। আগের তালিকায় কি তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্মতি ছিল না, নাকি কোথায় বড় ফাঁক তৈরি হয়েছে দলেরই অভ্যন্তরে, সেই প্রশ্ন উঠছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রার্থী তালিকা নিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের কথাও হয়।

ক্ষুব্ধ নেতাদের কান্না, দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

ক্ষুব্ধ নেতাদের কান্না, দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রার্থী তালিকা দেখার পরে ব্রাত্য বসু থেকে শুরু করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অনেক নেতাই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ফোন করে নিজেদের অভিযোগ জানান বলে সূত্রের খবর। কাঁথিতে প্রার্থী বাছাই নিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়া অখিল গিরিকে হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায় তাঁদের পাঠানো প্রার্থী তালিকা গৃহীত হয়নি। সেই কারণে তিনি পুরভোটের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।

তৃণমূলে ব্যতিক্রমী যাঁরা

তৃণমূলে ব্যতিক্রমী যাঁরা

এবার বলেই দেওয়া হয়েছিল যাঁরা বিধায়ক আছেন, তাঁরা পুর নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না। সেই মতো তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন সল্টলেকে সুজিত বসু, কাটোয়ার রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, দিনহাটার উদয়ন গুহ, কান্দির অপূর্ব সরকারের মতো অনেকে। আবার সেই সেই নিয়মের ব্যতিক্রমও রয়েছে কলকাতার একেবার পাশেই মহেশতলায়। সেখানকার বিধায়ক দুলাল দাস। তাঁকে এবারও দল প্রার্থী করেছেন। ব্যতিক্রমীটদের তালিকা তিনি শুধু একা নন, আছেন একাধিক নেতা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+