ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

চিটফান্ড কেলেঙ্কারি: একই দিনে গ্রেফতার কেকেএন ও এমপিএস কর্ণধার

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    ছবি
    কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বর: চিটফান্ডের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসল রাজ্য সরকার। শুক্রবারই গ্রেফতার করা হল কেকেএন গোষ্ঠীর কর্ণধার কৌশিকুমার নাথকে। একই দিনে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় এমপিএস গোষ্ঠীর মালিক প্রমথনাথ মান্নাকে। পরে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    অল্প সময়ে টাকা দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে, এই আশ্বাস দিয়ে বাজার থেকে অর্থ তুলছিল কেকেএন ও এমপিএস। আইন না মেনেই এই কাজ করা হচ্ছিল। সারদা-কাণ্ডের পর এরা সাধারণ আমানতকারীদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ ফেরত দিতে পারছিল না। ক্রমশ জনরোষ বাড়তে থাকে। কিছুদিন আগে গা ঢাকা দেন কৌশিককুমার নাথ। বিস্তর খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। এর আগে ২০১৩ সালের মে মাসে একই অভিযোগ একবার গ্রেফতার হন কৌশিকবাবু।

    অন্যদিকে, শ্যামল সেন কমিশনে এ দিন এসেছিলেন প্রমথনাথ মান্না। কেন তিনি সাধারণ মানুষের টাকা ফেরত দিচ্ছেন না, এই প্রশ্ন করা হলে আমতা আমতা করতে থাকেন। তখন তাঁকে জানানো হয়, বাঁকুড়া থানায় এই ইস্যুতে দু'টি এফআইআর রুজু হয়েছে। তাই তাঁকে বাঁকুড়া থানার পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে সন্তুষ্ট না হওয়ায় পুলিশ গ্রেফতার করে প্রমথনাথ মান্নাকে।

    শ্যামল সেন কমিশনের অফিস যে থানা এলাকায় পড়ে, সেই হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশকে ডাকা হয়। পুলিশ আটক করে প্রমথনাথবাবুকে। খবর যায় বাঁকুড়া থানায়। বাঁকুড়া থানার পুলিশ এসে গ্রেফতার করে এমপিএস চেয়ারম্যান প্রমথনাথ মান্না এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রবীর চন্দকে।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সারদার পর রোজ ভ্যালির ওপর নজরদারি শুরু করেছে ইডি। খুব শীঘ্র হয়তো সিবিআই-ও তদন্ত শুরু করবে। বিরোধীরা পাছে এই অভিযোগ তোলে যে, রাজ্য সরকার এত কিছুর পরও নীরব, তাই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। তার ফলশ্রুতি কেকেএন ও এমপিএসের বিরুদ্ধে এমন কড়া পদক্ষেপ।

    English summary
    Police arrested KKN chief, chairman of MPS group also detained

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more