মাধ্যমিকের প্রশ্নফাঁস বিতর্কে পর্ষদকে সাবধান করলেন মন্ত্রী, প্রশ্ন উঠল নয়া প্রযুক্তি নিয়েও
মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র বিতর্কে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতিকে তলব করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেইমতো শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বাড়িতে ডেকেই পর্ষদের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন।
মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র বিতর্কে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতিকে তলব করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেইমতো শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বাড়িতে ডেকেই পর্ষদের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। জানতে চাইলেন ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। রবিবার বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী ও পর্ষদ সভাপতি কেউই এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি।

এই বৈঠকে প্রশ্ন ফাঁস বিতর্কে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়। সেইসঙ্গে পার্থবাবু জানতে চান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়েও কেন এই ধরনের অপরাধ রোখা গেল না। তিনি পর্ষদকে এই ব্যাপারটি খতিয়ে দেখতে বলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় রিপোর্ট তৈরি করে এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন।
এদিকে ময়নাগুড়ির সুভাষনগর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হরিদয়াল বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে কোনও দিশা দিতে পারেননি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে তলব করে দীর্ঘ জেরা করা হয়। তাঁর বয়ানও রেকর্ড করা হয়। কিন্তু তিনি দোষী, নাকি নির্দোষ- তা নিয়ে মুখ খুলতে চাননি বোর্ড সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি শুধু বলেন, প্রধানশিক্ষক হরিদয়ালবাবুকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।
উল্লেখ্য, মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষপর্বে গিয়ে অভিযোগ ওঠে, প্রধান শিক্ষক হরিদয়ালবাবু নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রশ্নপত্র খুলে সেই অনুযায়ী শিক্ষকদের দিয়ে উত্তর তৈরি করে স্কুলের ফার্স্ট বয়কে সাহায্য করতেন। স্কুলেরই ইংরেজি শিক্ষক এই অপরাধ প্রকাশ্যে আনেন। তারপরই প্রশ্নপত্রের প্যাকেটে পর্ষদের চিপ-ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠে যায়। কেন নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা হলেও জানতে পারল না পর্ষদ, তা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়ে যায়। এদিন তার ব্যাখ্যাও চান শিক্ষামন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications