সুচিত্রার গলাও হারিয়ে গেল সন্ধ্যার প্রয়াণে, মাকে মিস করলে আর কাকে ফোন করবেন মুনমুন
সুচিত্রার গলাও হারিয়ে গেল সন্ধ্যার প্রয়াণে, মাকে মিস করলে আর কাকে ফোন করবেন মুনমুন
বাংলা সিনেমায় মিলমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। তাঁরা ছিলেন একে-অপরের পরিপূরক। তাঁদের সৃষ্টিতেই তাঁরা হয়ে উঠেছিলেন একে অপরের পরিপূরক। অগ্নিপরীক্ষায় সুচিত্রার লিপে সন্ধ্যার গান যে ইতিহাস তৈরি করেছিল, তারপর মিথ হয়ে গিয়েছিল তাঁদের কণ্ঠস্বর। সেই কথাই প্রতিধ্বনিত হল সুচিত্রা কন্যা মুনমুন সেনের কথায়।

সুচিত্রার লিপ আর সন্ধ্যা কণ্ঠের যে মিল পেয়েছিল বাঙালি দর্শক ও শ্রোতা, সেই মায়াজালে আবিষ্ট গোটা বাংলা। মুনমুন সেনের কথায় তা আবার নতুন করে স্পষ্ট হয়েছে। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে স্মৃতিচারণায় মুনমুন সেনের কথায় উঠে এল- একদিন মাকে খুব মিস করছিলাম। মনে হচ্ছিল একবার যদি মায়ের ডাক শুনতে পেতাম। তখনই ভাবলাম একজনকে ফোন করলে মায়ের গলা খুঁজে পাবো।
মুনমুন সেন স্মতিচারণায় বলে, তখন ফোন করেছিলাম সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে। অন্য একজন ফোন ধরেছিল। বললেন- কাকে চাই। বলেছিলাম, সন্ধ্যাদিকে বলুন মুনমুন ফোন করেছে। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এসে ফোন ধরলেন। রাখঢাক না করেই তাঁকে বলেছিলেন, আজ মায়ের গলাটা খুব মিস করছিলাম, আমার মায়ের গলাটা শুনব বলেই তোমাকে ফোন করলাম।
মুনমুনের কথায়, তারপর হেসে উনি আবদার করে বসলেন, মুনমুন একটা গান শোনাও তো আমাকে। আমি শুনে থ হয়ে গিয়েছিলাম। আমি বলে উঠলাম, আমি কী গান শোনাব, আমি তো গানের গ-ও জানি না। তারপর তিনি আমাকে গান শুনিয়েছিলেন- 'ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা। এই মাধবী রাত'। সেই গানেই আমি মায়ের কণ্ঠ শুনেছিলাম। মোহিত হয়ে ভেবেছিলাম কী অদ্ভুত মিল। দু-কলি গানেই ফুটে উঠেছিল আমার মায়ের কণ্ঠ। অমলিন গলা, কী জাদু সেই গানে।
মুনমুন সেন বলেন, মা বলত, সন্ধ্যা না থাকলে, আমরা কাজ অনেক বেশি শক্ত হল। আসলে বিশ্বেকর কাছে মায়ের কণ্ঠ তো ছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। গানের ভুবনের উত্তম-সুচিত্রা তো হেমন্ত-সন্ধ্যা। স্বর্ণযুগের সেই স্বর্ণকণ্ঠ হারিয়ে যাচ্ছে একে একে। আমার মায়ের কণ্ঠও হারিয়ে গেল। আর কাকে ফোন করব মাকে মিস করলে। মায়ের গলা শোনারও আর উপায় রইল না। মাকে হারিয়েছিলাম আট বছর আগে। এবার হারালাম আমার মায়ের কণ্ঠকে।
Recommended Video
শুধু কন্ঠের মিলই নয়, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গায়কীর আর সুচিত্রা সেনের লিপ দেওয়ার মধ্যে এক অদ্ভুত মিল ছিল। তা নিজে মুখেই বলেছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। বলেছিলেন, আমি নিজেও অবাক হয়েছিলাম সুচিত্রা যেভাবে আমার গানে লিপ দিত, তা দেখে। শুধু মাত্র চোখ আর মুখের ভঙ্গিতে এমন করে গলা মেলাতে কাউকে দেখিয়ে। দুই আত্মা যেন এক হয়ে গানের সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করত। সন্ধ্যার সেই সব গান অমর হয়ে আছে সুচিত্রা লিপে। যতদিন গান থাকবে, ততদিন সন্ধ্যা-সুচিত্রা রয়ে যাবে সঙ্গীতপ্রেমীর হৃদয়ে।
-
নতুন নির্দেশিকায় কড়া কেন্দ্র, নিয়ম না মানলে খোয়া যেতে পারে এলপিজি কানেকশনও! -
শেষ মুহূর্তে ক্যানসেল? আর মিলবে না টাকা! টিকিট বাতিলে বড় বদল ভারতীয় রেলওয়ের, জানুন নতুন নিয়ম -
তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, অভয়ার মায়ের নাম ঘিরে বড় চমক পানিহাটিতে -
ভোটার তালিকায় গণ্ডগোল ঘিরে উদ্বেগ, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল কমিশনের -
রাজস্থানের পর মালিকানা হাতবদল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুরও, আইপিএলে তৈরি হল নয়া রেকর্ড -
হরমুজ খুলে দাও, পরমাণু কর্মসূচিতে লাগাম, ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে ট্রাম্প, রাজি হবে কি তেহরান? -
ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসকদের নজরে শারীরিক অবস্থা -
এলপিজি রিফিল বুকিংয়ের সময়সীমা পরিবর্তনের খবর কি সত্যি? আসল তথ্য জানাল কেন্দ্র -
হুমায়ুন-ওয়েইসির জোটের চোখ ১৮২টি আসনে, সংখ্যালঘু ভোট সুসংহত করাই মূল লক্ষ্য -
ভোটার তালিকায় ‘অদৃশ্য' নাম! কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা, উত্তরবঙ্গের মঞ্চে চড়ল রাজনৈতিক পারদ -
সব কেড়ে নিলেও মানুষ আমার পাশে, ময়নাগুড়ি থেকে বিজেপি ও কমিশনকে একসুরে নিশানা মমতার -
ভোটের আগে বড়সড় সাফল্য, বিহার থেকে বাংলায় অস্ত্র পাচার রুখল পুলিশ












Click it and Unblock the Notifications