পঞ্চায়েতের পর কোপ পড়বে মুকুল-দিলীপের উপর! লক্ষ্যপূরণ না হলেই ঝুলছে খাঁড়া

রেকর্ড সংখ্যক আসনে প্রার্থী দিয়ে এবার আত্মতুষ্ট হয়েছিল বিজেপি। কিন্তু সেই আত্মতুষ্টিতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই কারণেই বাংলার জন্য ফিক্সড হয়েছে টার্গেট।

রেকর্ড সংখ্যক আসনে প্রার্থী দিয়ে এবার আত্মতুষ্ট হয়েছিল বিজেপি। কিন্তু সেই আত্মতুষ্টিতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই কারণেই বাংলার জন্য ফিক্সড হয়েছে টার্গেট। আর সেইসঙ্গে বার্তাও দেওয়া হয়েছে মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষদের। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, হয় পারফরম্যান্স করো, নতুবা পদ ছাড়ো।

শুধু বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ-ই নয়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা পেয়ে বঙ্গ বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শুধু সন্ত্রাসের গল্প শুনিয়ে লাভ নেই। হয় কাজ করতে হবে, নতুবা সরে যেতে হবে। প্রকাশ্যেই বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষকে বার্তা দিয়েছেন তিনি।

পঞ্চায়েতের পর কোপ পড়তে পারে মুকুল-দিলীপের উপর

মোট কথা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ইতিবাচক ফল না হলে, অন্য কিছু ভাবতে বাধ্য হবে বিজেপি। বিজেপি পঞ্চায়েতে এগিয়েই ক্ষান্ত থাকতে চায় না। বিজেপির আসল লক্ষ্য ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বাংলার জন্য লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দেওয়া হয়েছে। যে কোনও মূল্যে বিজেপি ফল চায়। আর তা না হলে যত বড় নেতাই হোক তাঁর ঘাড়ে কোপ ফেলতে দুবার ভাববে না বিজেপি।

বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বের এই নির্দেশেই এখন মুরলিধর লেনে আতঙ্কের আবহ তৈরি হয়েছে। বিজেপির উল্লাসে আপাতত ভাটা পড়েছে। তাই ফের রাজ্য চষতে বেরিয়েছেন মুকুল-দিলীপরা। স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছেন অমিত শাহ, তা এবার রূপায়ণ করার গুরু দায়িত্ব মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষদের।

পঞ্চায়েতের পর কোপ পড়তে পারে মুকুল-দিলীপের উপর

এই কৌশলের বাস্তবায়নে কোনওরকম ফাঁক বরদাস্ত করবে না বিজেপি নেতৃত্ব। পঞ্চায়েত ভোটে কামড় দিতে হবে। তবেই লোকসভায় লক্ষ্যপূরণের দিকে এগতে পারবে বিজেপি। নতুবা নামকাওয়াস্তে দ্বিতীয় দল হয়েই থাকতে হবে। তৃণমূলের চ্যালেঞ্জার হয়ে ওঠার যাবে না।

আর সবথেকে বড় অগ্নিপরীক্ষা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও পঞ্চায়েত নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান মুকুল রায়ের কাছে। টার্গেট বেঁদে দিয়ে কাজ হাসিল করতে বদ্ধপরিকর নেতৃত্ব। আর লক্ষ্য পূরণ করতে না পারলে যে তাঁদের সরে যেতে হবে, তা খুব ভালো মতোই জানেন মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষের মতো পোড় খাওয়া নেতারা।

পঞ্চায়েতের পর কোপ পড়তে পারে মুকুল-দিলীপের উপর

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য বিজেপিকে টার্গেট দেওয়া হয়েছে- কমপক্ষ চারটি জেলা পরিষদ দখল করতে হবে। পঞ্চায়েত সমিতিতে অন্তত ৩০ শতাংশ আসনে জিততে হবে। আর গ্রাম পঞ্চায়েতে কমপক্ষে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসনে জয়লাভ করতে হবে। সেইসঙ্গে লোকসভার জন্যও হোম-টাস্ক দেওয়া হয়েছে ৪২ আসনেই প্রথম দুয়ের মধ্যে থাকা। এবং অন্তত ২০টি আসনে জয়লাভ করা।

সেই ২০টি আসন বেছে দেওয়ার পাশাপাশি আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে ওই লোকসভা আসনগুলির অন্তর্গত জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতে অন্তত ৩৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে বলেও টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন অমিত শাহ। অমিত শাহ এই টার্গেট দিয়ে মূলত সতর্ক করে দিয়েছেন বঙ্গ নেতৃত্বকে। তাঁর এই টার্গেট পাওয়ার পর মাথায় হাত মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষদের।

এই হোম-টাস্ক পাওয়ার পর তথ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে- আসন্ন পঞ্চায়েতে এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা একপ্রকার অসম্ভব। শাসক দলের সন্ত্রাস, প্রার্থী দিতে না পারার যুক্তিযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আপাতত টার্গেট খানিক কমালেও লক্ষ্যমাত্রা বেশ শক্ত বঙ্গ বিজেপির কাছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+