কোথায় গলদ? মাল নদীর দুর্ঘটনা নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার রিপোর্ট তলব নবান্নের
কোথায় গলদ? মাল নদীর দুর্ঘটনা নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার রিপোর্ট তলব নবান্নের
মাল নদীতে গতকাল ভয়াবহ বিসর্জন হয়েছে। তাই নিয়ে জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। মাল নদীতে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল। তাতে কোনও গাফিলতি ছিল কিনা। তা জানতে রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসনকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ঘটনার পরেই ঘাটে ঘাটে িবসর্জনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ২৫ দফার গাইডলাইন জারি করা হয়েছে।

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব
বিসর্জনের শোভাযাত্রায় মর্মান্তির দুর্ঘটনা। মাঝ নদীতে বিসর্জনে গিয়ে হঠাৎ হড়পা বানে ভেসে গিয়েছিলেন ৫০ থেকে ৫০ জন। তার মধ্য ৮ জনের দেহ উদ্ধার করা গিয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা গতকাল থেকে বিক্ষোভ দেখিয়ে যাচ্ছেন। এই ঘটনা নিয়ে শেষ রিপোর্ট তলব করল নবান্ন। মাল নদীতে বিসর্জনের জন্য কী কী িনরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তা জানতে এই রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট নবান্নে দেওয়ার িনর্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ক্ষতিপূরণ ঘোষণা
মাল নদীর দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি টুইটে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি টুইটে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে মৃতদের পরিবারের প্রতি ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন তিনি। আহতদের পঞ্চাশ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও উদ্বেগ প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছেন পরিবারের প্রতি। কেন্দ্রের তরফ থেকেও ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। এদিকে রাজ্য সরকারের ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা উচিত ছিল।

একাধিক অভিযোগ
মালা নদীতে দুর্ঘনা নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ইতিমধ্যেই জলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিসর্জনের দিন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা করা হয়নি এমনই অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এই নিয়ে তাঁদের মধ্যে ক্ষোভও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বিসর্জনের ঘাটগলিতে িনরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। স্থানীয়দের অভিযোগ উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া তেমন ভাল নেই তা জানার পরেও প্রশাসন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়নি। সিভিল ডিফেন্সের মাত্র আটজন কর্মী ঘটনাস্থলে ছিলেন ঘটনাস্থলে। উদ্ধারের সময় সার্চ লাইটও পাওয়া যায়নি। দড়ি নিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছিলেন কর্মীরা।

২৫ দফার গাইডলাইন
মাল নদীতে দুর্ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসে নবান্ন। দুপুরেই জরুরি বৈঠক হয়। সেখানে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিসর্জনের ঘাটগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ২ দফার গাইডলাইন জারি করেছে রাজ্য সরকার। যেসব ঘাটে এখনও বিসর্জন চলছে সেখানে কড়া নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতির উপরে নজর দিতে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications