তবুতো থামোনি..লড়ে গেছো আপন গৌরবে! শাসকের অহংকারকে বিঁধে গর্জে উঠল মমতার কলম
দীর্ঘ ১৮ মাসের লড়াই। আন্দোলনরত কৃষকদের চাপে নতি স্বীকার মোদী সরকারের। বিতর্কিত তিনটি কৃষক বিল তুলে নিতে বাধ্য হল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রবল চাপের মুখে সরকার পিছু হটতেও খুশির হাওয়। বিশেষ করে সিঙ্ঘু সীমান্তে আনন্দ, উল্লাসে ফেট
দীর্ঘ ১৮ মাসের লড়াই। আন্দোলনরত কৃষকদের চাপে নতি স্বীকার মোদী সরকারের। বিতর্কিত তিনটি কৃষক বিল তুলে নিতে বাধ্য হল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রবল চাপের মুখে সরকার পিছু হটতেও খুশির হাওয়। বিশেষ করে সিঙ্ঘু সীমান্তে আনন্দ, উল্লাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনরত কৃষকরা।
শুধু আন্দোলনরত কৃষকরাই নয়, সরকারের এই ঘোষণার পরেই তোপ দাগেন বিরোধীরা। আগামী নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি বিরোধীদের। তবে লড়াইয়ের কাছে প্রবল শক্তিকেও যে নত হতে শেখায় সেটাই প্রমান করলেন কৃষকরা। আর তাই এই আন্দোলনকে স্যালুট জানিয়ে গর্জে উঠল মুখ্যমন্ত্রীর কলম!

বারবার গর্জে উঠেছেন মমতা!
দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে বারবার গর্জে উঠেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিএএ বিরোধী আইন হোক কিংবা ধর্ষণের মতো নারকীয় ঘটনার সমালোচনা উঠে এসেছে তাঁর কথাতে। শুধু কথাই নয়, দেশের দিদি মমতার কলমেও জ্বলে উঠেছে প্রতিবাদের আগুন। প্রথম দিন থেকেই কৃষক আন্দোলনের পাশে ছিলেন তিনি। বিতর্কিত কৃষি আইন তুলে নেওয়ার জন্যে বহুবার কেন্দ্রের কাছে আর্জিও জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, আন্দোলনের বেগ বাড়াতে খোদ কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়ত মমতার সঙ্গে নবান্নে বৈঠকও করে যান।

অভিনন্দন জানান কৃষকদের
আর তাই লড়াইয়ের ফল মিলতেই টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইটে বলেন, প্রত্যেক কৃষককেই তাঁর আন্তরিত অভিনন্দন, যাঁরা নিরলসভাবে লড়াই করেছেন এই তিনটি আইন প্রত্যাহারের জন্য। বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যও তিনি কৃষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। বলেছেন এটা কৃষকদের জয়। পাশাপাশি এই আন্দোলন করতে গিয়ে যেসব কৃষকের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের প্রতিও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানেই শেষ নয়।

কবিতায় উঠে এল শাসকের অহংকার
এই লড়াই অনেক কিছু বার্তা দিয়েছে। প্রায় দীর্ঘ ১৮ মাস লাগাতার লড়াই। একের পর এক আন্দলরত কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কমেনি ধার। আর সেই ধারে কথাই এবার ফুটে উঠল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতায়। তাঁর লেখায় ফিরে এসেছে কৃষকদের অধিকার। শুধু তাই নয়, কৃষকদের সংগ্রাম, আন্দোলনের কথাও সুন্দর ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কবিতায় তুলে ধরেছেন। পাশপাশি শাসকের অহংকার, আর সেই অংকারের কাছে না হেরে যেভাবে জয় পেয়েছে আন্দোলনরত কৃষকরা। সেই বিষয়টিও সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে কবিতার মাধ্যমেই অভিনন্দন জানিয়েছেন আন্দোলনরত কৃষকদের।

গণতন্ত্রের জয়
তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এবং সুখেন্দুশেখর রায়। এটা গণতন্ত্রের জয়। কৃষকদের আন্দোলনে ভয় পেয়েই এই সিদ্ধান্ত বলেছেন সৌগত রায়। সুখেন্দুশেখর রায় বলেছেন, সম্পূর্ণ পরাস্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই জয়কে কৃষকদের জয় বলে মন্তব্য করে তিনি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications