Dilip Ghosh: দিলীপ ঘোষের বিয়েতে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের শুভেচ্ছা বার্তা, ফুল-মিষ্টি উপহার!
Dilip Ghosh: বিয়ে করছেন দিলীপ ঘোষ। ৬১ বছর বয়সে চিরকুমারের তকমা ঘুচিয়ে, শুক্রবার বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন বিজেপি নেতা। সূত্রের খবর, শুক্রবার বিকেলে ঘরোয়া ও অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন তিনি। সময় স্থির হয়েছে বিকেল সাড়ে ৫টায়। পাত্রী আর কেউ নন, বিজেপি মহিলা মোর্চারই নেত্রী রিঙ্কু মজুমদার। দাপুটে নেতার আনন্দে ইতিমধ্যেই মজেছেন বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তবে এবার শুভেচ্ছা জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
শুক্রবার সকাল থেকেই বিজেপি নেতৃত্বের তরফে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি, বিরোধী শিবির থেকেও অভিনন্দন বার্তায় ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে দিলীপ বাবুকে। তালিকায় রয়েছেন শওকত মোল্লা, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, সুজন চক্রবর্তী সহ বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। এবার তাতে যোগ হল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর নামও। শুক্রবার তিনি দিলীপ বাবুর আগামী জীবন মঙ্গলময় ও সুখের হোক, বৈবাহিক জীবনের অনেক শুভেচ্ছা জানান। সঙ্গে এদিন মিষ্টি ও ফুলের তোড়াও পাঠানো হয়।

সূত্রের খবর, নিউটাউনে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান মমতা। শুক্রবার রাজ্য সরকারের ছাপযুক্ত হলুদ রঙের খাম পৌঁছায় নিউটাউনে দিলীপ বাবুর বাড়িতে। তাতে সাদার উপর কালো ছাপার হরফে দিলীপের নাম এবং ঠিকানা লেখা। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দিলীপ বাবুর রাজনৈতিক মতবিরোধ প্রবল। তবুও রাজনীতিকে দূরে রেখে সৌজন্যের নজির গড়লেন তিনি।
এদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে প্রতিপক্ষ তথা বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ কীর্তি আজাদ শুক্রবার দিলীপ বাবুর বিয়ে উপলক্ষে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দে মেতে ওঠেন। কীর্তি আজাদ জানান, "আমি খুব খুশি, দিলীপ ভাই এবং বৌদিকে তাঁদের দীর্ঘ ও মঙ্গলময় বৈবাহিক জীবনের জন্য অনেক-অনেক শুভেচ্ছা জানাই। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। আবার বিধানসভা নির্বাচনে মুখোমুখি হব। তবে সেটা অন্য বিষয়। তার বাইরে আমি তাঁর বিয়ের খবরে খুবই খুশি।"
জানা যায়, রাজ্য বিজেপির নেতারা শুক্রবার দল বেঁধে দিলীপ বাবুর বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা। এদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিলীপের বাড়িতে যাবেন কি না, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। কারণ, দিলীপ-শুভেন্দু সম্পর্ক দলের অন্দরে খুব একটা কিন্তু মসৃণ নয়। ফলে এই প্রশ্নের উত্তর তো বিয়ের পরই পাওয়া যাবে।
এদিন দিলীপ ঘোষের বাড়িতে রাজ্য সভাপতি নিয়ে গিয়েছিলেন ফুলের তোড়া, মিষ্টির বাক্স আর দিলীপের জনয ধুতি-পাঞ্জাবি। একইভাবে বিজেপির অনয নেতারাও ফুল, মিষ্টি নিয়ে গিয়েছিলেন। কারও কারও হাতে ছিল অন্যান্য উপহারও।
দিলীপ বাবুর বিয়ের সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যম রীতিমত শোরগোল পড়ে যায়। সমাজ এবং রাজনীতির আঙিনাতেও সেই শোরগোল শোনা যায়। আলোচনা চলছে তাঁর আগামী জীবন নিয়ে। সমাজমাধ্যমে বহু মানুষ রসিকতাও করছেন। দিলীপ বাবু অবশ্য তাতে খুব একটা গা দিচ্ছেন না।












Click it and Unblock the Notifications