ভোটগণনার আগের রাতে সঙ্গীত সাধনায় ডুব মমতার! শুনুন কোন সুরে ভরালেন প্রাণ
রাত পোহালেই ভোট গণনা শুরু। তার আগের রাত মানেই টেনশন। কিন্তু টেনশন আছে তো কি, টেনশন মুক্ত থাকার উপায়ও আছে। তা-ই করলেন বাংলার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাত পোহালেই ভোট গণনা শুরু। তার আগের রাত মানেই টেনশন। কিন্তু টেনশন আছে তো কি! টেনশন মুক্ত থাকার উপায়ও আছে। কীভাবে টেনশন মুক্ত থাকতে হয়, তা শেখালেন বাংলার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহা টেনশনের রাতে তিনি সিন্থেসাইজার বাজিয়ে গানে মন দিলেন। গানে গানে বার্তা দিলেন তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের। চাপমুক্ত হয়ে দায়িত্ব পালনের ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন মমতা।

সাধারণত অন্য নেতারা চাপ কাটাতে নিরালা খোঁজেন। কিন্তু তিনি যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সব কিছুতেই আলাদা। অনন্য ভাবনায় তিনি টেনশন ফ্রি হলেন। 'প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে' তিনি বার্তা দিলেন বাংলার মানুষকে। বার্তা দিলেন জন্মভূমিকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং নিজে সিন্থেসাইজার বাজিয়ে গান পরিবেশন করলেন।
নিজেই ফেসবুক পেজে তা পোস্ট করে বার্তা দিয়েছেন, ভোট গণনার দিন এগিয়ে আসছে। আমি আমাদর জন্মভূমির জন্য প্রার্থী করছি, এই গান আমি উৎসর্গ করছি মা মাটি মানুষের জন্য। তিনি তাঁর এই বার্তায় বুঝিয়ে দিয়েছেন, কোনও চাপ নয়, সবাই চাপমুক্ত থাকুন। আমি যেমন আছি, তেমন থেকে যে যার নিজের দায়িত্ব পালন করুন। তাহলেই 'সাধনা' সফল হবে।
এদিনই তাঁর কলম গর্জে উঠেছিল প্রতিবাদে। কথার লড়াই শেষ করে ভোট পরবর্তী সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাব দিতে কলম তুলে নিয়েছিলেন। শেষ দফা ভোটের আগে তিনি লিখেছিলেন তিন-তিনটি কবিতা। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে 'লজ্জিত' আর তারপরই 'অবিশ্বাস্য কালো' ও 'চেনা নয়'। এবার তাঁর কলম থেকে বের হল প্রতিবাদের আর এক ভাষা- 'জরুরি'। আর শুধু প্রতিবাদেই থেমে নেই তিনি, তিনি সঙ্গীত সাধনায় ডুবে নিজেকে এবং নিজের দলের অগণিত কর্মীদের প্রাণসঞ্চার করলেন।












Click it and Unblock the Notifications