Malda Incident: মালদহের ঘটনায় শুভেন্দু কেন দাবি করলেন মমতার পদত্যাগ? নির্যাতিতাদের গ্রেফতারির তীব্র সমালোচনা
Malda Incident: মালদহে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধরের ভিডিও ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজ্যের নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী শশী পাঁজা বিষয়টিকে চুরির ঘটনা বলে চিহ্নিত করলেও সরব বিরোধীরা।
হাওড়ার পাঁচলার নির্যাতিতা গতকালই যে বয়ান দিয়েছেন তাতে রাজ্যে পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যর দাবি মিথ্যা বলে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মালদহের ঘটনা নিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করলেন।

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মণিপুরের ঘটনা নিয়ে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপিকে। কয়েক ঘণ্টা পার হতে না হতেই সামনে এসেছে মালদহের ঘটনা। মমতা মণিপুরে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু মালদহের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি এখনও নীরব। এই আবহে রাজ্য সরকারের সমালোচনা শুভেন্দুর।
তৃণমূলের দাবি মণিপুরের ঘটনাকে চাপা দিতেই পাঁচলা, মালদহের ঘটনা সামনে আনছে বিজেপি। যদিও শুভেন্দু বলেন, চাপা দেওয়ার কিছু নেই। মণিপুরের ঘটনা লজ্জাজনক, নিন্দনীয়, সভ্যসমাজের জন্য কলঙ্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে মণিপুরের ঘটনার নিন্দা করে দোষীদের কঠোর, কঠিন শাস্তির কথা বলেছেন।

শুভেন্দুর কথায়, বাংলায় মহিলাদের উপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে যা যা ঘটছে, তার কোনও সীমা পরিসীমা নেই। নিন্দা করার উপযুক্ত ভাষা অভিধানে পাওয়া যাবে না। দেশের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মণিপুর নিয়ে যে বক্তব্য রেখেছেন, তেমন কথা এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা যায় না। ২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যে নারী নির্যাতনের খতিয়ান তুলে ধরেন শুভেন্দু।
তিনি বলেন, সাতজন সংখ্যালঘু মুসলিম মহিলা, বাচ্চা মেয়ে-সহ শিশুদের বগটুইয়ে শিকল তুলে পুড়িয়ে মারা হলো। ভয়াল মধ্যযুীর বর্বরতা যা নাৎসি হানাকে হার মানায়। আর মমতার সম্পদ বলেছিলেন, গ্যাস বিস্ফোরণ হয়েছে। ঘটনার বর্ষপূর্তিতে ওঁর দলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর টুইটে লেখেন অগ্নিকাণ্ড!

হাঁসখালি থেকে কালিয়াগঞ্জ, দলিত, তফসিলি পরিবারের মেয়েদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করে খুনের নানা ঘটনাকে মমতা-পুলিশ ধাপাচাপা দিয়েছে বলে মন্তব্য শুভেন্দুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলিকে ধামাচাপা দিয়ে আড়ালের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যেক বিরোধী দলনেতা।
শুভেন্দু বলেন, মণিপুরে দ্রুততার সঙ্গে মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাঁচলায় কিন্তু মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি। জয়পুরে যারা বিজেপি কর্মীদের বাড়ি জ্বালিয়ে দিল সেখানেও অভিযুক্তরা অধরা। মালদহে জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলাদের বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছে পুলিশের সামনে। পুলিশ কার্যত দর্শক ছিল। অথচ যাঁদের নির্যাতন করা হলো তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, ২ ও ৩ নম্বরে নির্যাতিতাদের নাম রাখা হয়েছে। আমার কাছে নথি আছে। এই ঘটনার পর পুলিশমন্ত্রী মমতার ১ সেকেন্ড ক্ষমতায় থাকা উচিত নয়। মালদহের বামনগোলার ঘটনার প্রতিবাদে পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications