রাজনীতির দলাদলি ভুলে তৃণমূল-বিজেপি প্রার্থীদের রং একাকার, দোলেও 'খেলা' মদনের
রাজনীতির দলাদলি ভুলে দোলের রঙে মিলে গেলেন সবাই। তৃণমূল-বিজেপির ভেদাভেদ ভুলে এক মঞ্চে প্রার্থীরা বসন্তের ছোঁয়া নিলেন। বাংলায় ভোটের মরশুমে দোলের সকাল দেখল মহামিলনের বাংলাকে।
রাজনীতির দলাদলি ভুলে দোলের রঙে মিলে গেলেন সবাই। তৃণমূল-বিজেপির ভেদাভেদ ভুলে এক মঞ্চে প্রার্থীরা বসন্তের ছোঁয়া নিলেন। বাংলায় ভোটের মরশুমে দোলের সকাল দেখল মহামিলনের বাংলাকে। যেখানে হোলির আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠলেন তৃণমূলের মদন মিত্র, দেবাংশু থেকে শুরু করে বিজেপির শ্রাবন্তী, পায়েল, তনুশ্রীরা।

মদনের সঙ্গে হোলির আনন্দে মাতোয়ারা বিজেপির তিন প্রার্থী
রবিবার গঙ্গাবঙ্গে হোলি উৎসব পালন করলেন কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র। তাঁর সঙ্গে এদিন হোলির আনন্দে মেতে ওঠেন বিজেপির তিন প্রার্থী। সব বৈরিতা ভুলে গঙ্গাবঙ্গে নাচে-গানে-উন্মাদনায় হোলির আনন্দ উপভোগ করলেন বেহালা পূর্ব ও পশ্চিমের বিজেপির দুই প্রার্থী যথাক্রমে পায়েল সরকার ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় এবং শ্যামপুরের বিজেপি প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তী। ছিলেন তৃণমূলের দেবাংশু ভট্টাচার্য ও টেলি অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্যও।

বিজেপির তিন প্রার্থীকে নিয়ে হোলি উৎসব পালন করলেন মদন
দোলের রঙে রঙিন হয়ে এদিন তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র বিজেপির তিন প্রার্থীকে নিয়ে হোলি উৎসব পালন করলেন। মদন মিত্র বলেন, আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের সংস্কৃতিটা বাংলারই। বাংলার সংস্কৃতিতেই আছে খেলব হোলি রং দেব না, তাই কখনও হয়। সেই সংস্কৃতির বাংলাই আমাদেরকে মিলিয়ে দিয়েছে।

কোনও রাজনীতি নয়, আজকের দিনটা বড্ড স্পেশাল
গঙ্গাবঙ্গে এই হোলি উৎসবে তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র, বিজেপির তিন প্রার্থী শ্রাবন্তী, পায়েল ও তনুশ্রীদের মুখে শোনা গিয়েছে এক ধ্বনি আজ কোনও রাজনীতি নয়। আজকের দিনটা বড্ড স্পেশাল। সব রাজনীতি, বিবাদ-বিসংবাদ ভুলে এক হয়ে ওঠার দিন। তাই শুধু আনন্দ আর উন্মাদনাই থাক আজকের দিনের জন্য।

দোল উৎসবে বাজল খেলা হবে দেবাংশুর গান
তবে এদিনের দোল উৎসবে বাজল খেলা হবে গান। ভোটের মরশুমে তৃণমূলের থিম সং হয়ে ওঠা খেলা হবে গানটিতে কারও আপত্তি এদিন দেখা গেল না। গান তো গানই। সেই গানের লিপিকার দেবাংশুও উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলের দেবাংশুর গানে কোমর দোলাতে দেখা গেল বিজেপির তিন অভিনেত্রী প্রার্থীকেই।

খেলা হবে মদন মিত্রের লাভলি-গানও হল দু-কলি
আর সেইসঙ্গে মদন মিত্রের লাভলি-গানও দু-কলি হল। মদন তো বলেই দিলেন এখানে যখন উপস্থিত শ্রাবন্তী, পায়েল, তনুশ্রী- তখন লাভলি তো বলতেই হবে। লাভলি না বললে আমার থেকে মূর্খ আর কেউ নেই। তবে কাকে ছেড়ে কাকে লাভলি বলব, তা ভাববার বিষয়। এরপর শ্রাবন্তীরাও বলে ওঠেন লাভলি।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকুক, যেন সৌহার্দ্র্যও বজায় থাকে।
মদন বলেন, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। ভোটের মরসুম শেষ হলে সবাই আমরা আবার যে যার কাজে ফিরে যাব। আমরা আমাদের কাজ করব, শ্রাবন্তী-পায়েল-তনুশ্রীরা ইন্ডাস্ট্রিতে ফিরে যাবে। সবসময় মনে রাখতে হবে রাজনীতি নিয়ে মতান্তর থাকুক, যেন ব্যক্তিগত আক্রোশ না থাকে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকুক, যেন সৌহার্দ্র্যও বজায় থাকে।












Click it and Unblock the Notifications