মদন আবার পুরনো ফর্মে, মোদী নামের নয়া অর্থ থেকে মমতা-স্তুতি, শুনুন ফেসবুক লাইভে

একেবারে পুরনো ফর্মে ফিরে গেলেন মদন মিত্র। গতবার ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে স্থান না পেয়ে রাস্তার উপরে কর্মীদের সঙ্গে বসে পড়েছিলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা।

একেবারে পুরনো ফর্মে ফিরে গেলেন মদন মিত্র। গতবার ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে স্থান না পেয়ে রাস্তার উপরে কর্মীদের সঙ্গে বসে পড়েছিলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া দায়িত্ব মাথায় তুলে একুশে জুলাইয়ের প্রচারে ঝড় তুললেন তিনি। মমতা বন্দনা থেকে শুরু করে মোদীকে আক্রমণ- কিছুই বাদ গেল না তাঁর জ্বালাময়ী ভাষণে। বাকপটু মদনের কণ্ঠে এদিন শোনা গেল খেদের সুরও।

মদন আবার পুরনো ফর্মে, মোদী নামের নয়া অর্থ থেকে মমতা-স্তুতি, শুনুন ফেসবুক লাইভে

২০১৬ নির্বাচনে এই কামারহাটি থেকেই হেরে গিয়েছিলেন মদন মিত্র। তিনি প্রচারের কোনও সুযোগ পাননি, তবু বিশ্বাস ছিল কামারহাটি তাঁকে ফেরাবে না। কিন্তু জেলবন্দি তৃণমূল প্রার্থী জয় পাননি। সেই খেদ তাঁর মনে রয়ে গিয়েছে। এদিন কামারহাটিতে একুশের প্রচার মঞ্চে বারবার সেই খেদ ঝরে পড়ল মদন মিত্রের গলায়।

তবু তাঁর ক্ষুরধার বক্তব্যের আঁচ স্তিমিত হল না। একেবারে স্বমহিমায় তিনি ফিরে এলেন কামারহাটির বুকে। তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তিনি আবার ফিরে এসেছেন, এবার আর তাঁকে নিরাশ করবেন না কমারহাটির মানুষ। তিনি একথা বোঝালেন মোদীকে দিকে বাক্যবাণ ছুড়ে দিয়ে। এদিন প্রধানমন্ত্রীকে গোধরা-হত্যাকাণ্ডের নায়ক বলতেও দ্বিধা করলেন মদন।

একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুণগান গেয়ে তিনি ঘোষণা করলেন এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিল্লি জয়ের অপেক্ষা। হবেই হবে সেই জয়। কামারহাটিকে বললেন, সকল কর্মীরা জেগে উঠুন। এবার আর আগের ভুল নয়। এবার বিশাল ব্যবধানে তৃণমূলকে জয়ী করতে হবে। যেখানেই থাকি কামারহাটির ভোটে দেখিয়ে দেব, এখানে কারও স্থান নেই। এমনই ভোট হবে যে, ৫০ বছর আর কোনও পার্টি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।

একইসঙ্গে মোদীকে এদিন দাঙ্গাবাজ, গণতন্ত্রের হত্যাকারী বলে চিহ্নিত করলেন মদন মিত্র। তিনি বলেন, আমার সারা জীবন জেল হয় হোক, তবু আজ আমি বলে যাব মোদী নামের অর্থ কী। মোদী হলেন এম ও ডি আই। অর্থাৎ মার্ডারার অফ ডেমোক্রেসি অফ ইন্ডিয়া। তাঁর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতেই হবে।

সেই লড়াইয়ে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আমি তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকব। মোদীর শাসন এবার শেষ হবে দিল্লিতে। তার কারণ মোদী যদি মাত্র দুটি আসনে জিতে দিল্লি দখল করতে পারে, তাহলে তৃণমূলের স্বপ্ন দেখতে আপত্তি কোথায়। এদিন প্রত্যয়ের সঙ্গে মদন মিত্র বলেন, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দেশের ভবিষ্যৎ। সেজন্য তৃণমূল কর্মীদের এককাট্টা হতে হবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+