২০২১-এর বিধানসভা ভোটের জন্য মুসলিমদের ছাড় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, বেলাগাম তোপ লকেটের
একটা সম্প্রদায়কে কী করে এত বেশি প্রশ্রয় দিচ্ছেন। মমতার বিরুদ্ধে নিশানায় সেই ধর্মীয় তাস খেললেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এই একটা সম্প্রদায়কে প্রশ্রয় দিয়ে
একটা সম্প্রদায়কে কী করে এত বেশি প্রশ্রয় দিচ্ছেন? মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে নিশানায় সেই ধর্মীয় তাস খেললেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এই একটা সম্প্রদায়কে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন। ওঁদের জন্য ছাড়ের বন্দোবস্ত করে রেখেছে সরকার ও তার পুলিশ। তাই আর এই অবস্থা বাংলার।

মমতার সরকার ও তাঁর প্রশাসনকে প্রশ্ন লকেটের
লকেটের অভিযোগ, এই সম্প্রদায়ের লোকজন ঘরে থাকবে না, কোয়ারেন্টাইনে যাবে না। তারা টেস্ট করবে না। চারিদিকে শুধু ছড়িয়ে যাবে করোনা। আর পুলিশ শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে। পুলিশকে কিছু বললেই সেই রাগটা এসে পড়ছে হিন্দুদের উপরে। একেবারে নাম করেই ধর্মীয় বিভাজনের প্রসঙ্গ তুলে মমতার সরকার ও তাঁর প্রশাসনকে বিঁধলেন লকেট।

লকেটের নিশানায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা
হুগলির তেলেনিপাড়ায় গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনার পর এলাকায় ঢুকতে বাধা পেয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাসংদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, একজন সাংসদ ঘটনাস্থলে যেতে চেয়েছিল, তাঁকে অন্যায়ভাবে আটকানো হল, পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েও তিনি দেখা করতে পারলেন না। তাহলেই বুঝুন কী অবস্থা রাজ্যের।

সাংসদকে পুলিশ নিরাপত্তা দিতে পারবে না!
রাজ্যের পুলিশ শোচনীয় ব্যস্ত কিছুই করতে পারেনি। একজন সাংসদকে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হচ্ছে না। লকেট বলেন, আমার নাকি নিরাপত্তা নেই। এখানেই তো রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠে পড়বে। একজন সাংসদকে পুলিশ নিরাপত্তা দিতে পারবে না। তাহলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী! এর আগে টিকিয়াপাড়া ও মেটিয়াব্রুজের ঘটনাও প্রমাণ করেছে আইনশৃঙ্খলা নেই।

মুসলিমদের কথা বললেই কি রাজনীতি
বিজেপি সাংসদ আরও বলেন, এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। মুসলিমদের কথা বললেই কি রাজনীতি হয়ে যায়। আজমেঢ় থেকে কেন ট্রেন এনেছেন বললেই রাজনীতি হয়ে যায়, নিজামুদ্দিনের ঘটনার পর রাজ্যে কত মানুষ এসেছেন সব মুখ্যমন্ত্রীর পরিসংখ্যান দিয়েছেন, শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া।

২০২১-এ ভোট,এক শ্রেণির মানুষকে ছাড়
২০২১-এ ভোট,এক শ্রেণির মানুষকে ছাড়
লকেটের অভিযোগ ২০২১-এ ভোট আছে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক শ্রেণির মানুষকে ছাড় দিয়ে রেখেছেন। এই ছাড়ের জন্য বাংলার অবস্থা কী হয়ে গিয়েছে, তা দেখতে পাচ্ছি আমরা। কোনও তথ্য দেন না মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষজ্ঞের টিম করে তিনি এক করে দিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির টিম আসার পর মুখ্যমন্ত্রী-মুখ্যসচিব পালিয়ে গিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র সচিবকে দিয়ে প্রেস কনফারেন্স করাচ্ছেন।

ভোট ব্যাঙ্কের জন্য রাজনীতি করছেন মমতা
ভোট ব্যাঙ্কের জন্য রাজনীতি করছেন মমতা
শুধু ভোট ব্যাঙ্কের জন্য রাজনীতি করছেন। একটা সম্প্রদায়কে পুরোপুরি ছেড়ে রেখেছেন। এটা চলতে পারে না। কেন্দ্রকে এই রিপোর্ট দিতে হবে। রাজ্যপালকেও জানাব। করোনা রুখতে লকডাউন চলছে। একটা সম্প্রদায় লকডাউন ভেঙে গুন্ডাগিরি করবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্থানীয় এক কাউন্সিলরের নেতৃত্বে ব্যাপক হামলা, অভিযোগ
লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, স্থানীয় এক কাউন্সিলরের নেতৃত্বে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে। লুঠপাট চালানো হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলে যেতে চেয়েছিলাম, পুলিশ তাতে বাধা দেয়। আমি পুলিশ কমিশনারকে ফোন করলে বলা হয় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তাই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে না।

পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম
লকেট বলেন, আমি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে চন্দননগর থানায় আসতে বলেছিলেন। সেইমতো আমি চন্দননগর থানায় আসি। তারপর তিনি জানান, আসতে পারবেন না। এই হচ্ছে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের অবস্থা। এখন নাকি ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি। তাই আসতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।












Click it and Unblock the Notifications