তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রার্থী ঘোষণা হোক একত্রে কংগ্রেসের সঙ্গে, প্রস্তাব বামফ্রন্টে
বিগত বিধানসভায় বাম-কংগ্রেস জোট হলেও তা ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছিল লোকসভায়। পৃথকভাবে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেই বিপদ ডেকে এনেছিল তারা।
বিগত বিধানসভায় বাম-কংগ্রেস জোট হলেও তা ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছিল লোকসভা নির্বাচনে। পৃথকভাবে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেই বিপদ ডেকে এনেছিল তারা। শেষপর্যন্ত আসন সমঝোতা নিয়ে সঠিক দিশায় পৌঁছতে না পেরে এককভাবে লড়েছিল তারা। তার ফলস্বরূপ কংগ্রেসের মান রক্ষা হলেও বামেরা মুখ থুবড়ে পড়েছিল।

ব্যর্থতা থেকেও সঠিক শিক্ষার খোঁজ
কিন্তু সেই ব্যর্থতা থেকেও সঠিকভাবে শিক্ষা নিতে পারল না বাম-কংগ্রেস উভয়েই। কংগ্রেস জোট নিয়ে বেশি তৎফরতা দেখাচ্ছে। লোকসভায় ব্যর্থ হওয়ার পর সিপিএমও তৎপরতা দেখাচ্ছিল। কিন্তু ভোট আসতেই আবার সিপিএম ব্যকফুটে খেলছে। এই অবস্থায় বাম শরিকরাই এবার দাবি তুলল একসঙ্গে প্রার্থী ঘোষণা করার।

বাম শরিকদের দাবি
বাম শরিকদের দাবি, একসঙ্গে প্রার্থী ঘোষণা করলে মানুষের মধ্যে অনেক বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে। জোট নিয়েও স্পষ্ট ধারণা পৌঁছবে সাধারণের মধ্যে। আর জোটের মধ্যেও ভুল বোঝাবুঝি কম হবে। একসঙ্গে প্রার্থী ঘোষণা করলে আগে থেকেই উভয় দলকে বসে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে। এবং সেই সিদ্ধান্ত অনেক পাকা হবে।

বামফ্রন্টের বৈঠকে এই প্রস্তাব
সম্প্রতি বামফ্রন্টের বৈঠকে এই প্রস্তাব দিয়েছে। যে তিনটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন, তার একটি করে ছিল তৃণমূ, বিজেপি ও কংগ্রেসের দখলে। কালিয়াগঞ্জ কংগ্রেসের। খড়গপুর বিজেপির এবং করিমপুর তৃণমূলের। একটিও সিপিএম বা বামফ্রন্টের ছিল না। খড়গপুরে বিজেপির দিলীপ ঘোষ জেতার আগে পর্যন্ত কংগ্রেসের শক্তঘাঁটি ছিল।

আর দেরি না করার আহ্বান
সেই আঙ্গিকে সিপিএমের হারাবার কিছু নেই। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণার আগে মঙ্গলবার আরেকবার বৈঠক ডাকা হয়েছে বামফ্রন্টের। এদিকে কংগ্রেসও আর দেরি না করার আহ্বান জানিয়ে চিঠি লিখেছে বিমান বসুকে। ফরওযার্ড ব্লকও আবেদন জানিয়েছে অবিলম্বে যৌথভাবে পথ চলার। সিপিআইও প্রস্তাব দিয়েছেন জোট গড়়ে তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার।












Click it and Unblock the Notifications