মুকুল-শুভেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূল বিধায়কের, ভোটের মুখে জল্পনা উসকালেন প্রাক্তনমন্ত্রী
মুকুল-শুভেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূল বিধায়কের, ভোটের মুখে জল্পনা উসকালেন প্রাক্তনমন্ত্রী
তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের মুখে বেরিয়ে এল বিজেপি-যোগের গুঞ্জনও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মালদহ সফর থেকে ফেরার পরই তৃণমূল সরকারের প্রাক্তনমন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী অভিযোগের তির ছুঁড়েছেন তাঁর ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বী দলেরই বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, নীহাররঞ্জনের সঙ্গে যোগাযোর রয়েছে মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীর।

মুকুল-শুভেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন নীহাররঞ্জন!
কৃষ্ণেন্দুনারায়ণের দাবি, তৃণমূলে থেকেও নীহাররঞ্জন যোগাযোগ রেখে চলে বিজেপির সঙ্গে। মুকুল রায়-শুভেন্দু অধিকারীরাও প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখেন নীহারের সঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় জনস্রোত দেখেই নীহাররঞ্জন ভয় পেয়েছেন। তারপরই হুমকি দিতে শুরু করেছে তাঁকে। তাঁর ভাবমূর্তি কলুষিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

নীহাররঞ্জনের বিজেপি যোগ উসকে দিলেন কৃষ্ণেন্দু
কৃষ্ণেন্দুর কথায় আভাস, নীহাররঞ্জন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যেতে পারেন বিধানসভার টিকিট নিয়ে। সেই কারণেই এখন থেকে তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। থানায় মিথ্যা হামলার অভিযোগ করেছে। আবার আমাকে খুনের হুমকিও দিয়েছে। কিন্তু এভাবে আমার ভাবমূর্তি কলুষিত করতে পারবে না।

একুশের নির্বাচনের প্রাক্কালে কে প্রার্থী হবেন, লড়াই তুঙ্গে
২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচেন উভয়ে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। সেবার বাম-কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী নীহাররঞ্জন ঘোষ হারিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীকে। পরে নীহাররঞ্জন ঘোষ তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। এবার একুশের নির্বাচনের প্রাক্কালে কে প্রার্থী হবেন ইংরেজবাজার থেকে, তা নিয়ে দ্বন্দ্বের মাঝেই উভয়ের চাপানউতোর সামনে এল।

কৃষ্ণেন্দুকে হারিয়ে বিধায়ক হয়ে তৃণমূলে যোগ নীহারের
কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন। আবার নীহাররঞ্জন তাঁকে হারিয়ে বিধায়ক হওয়ার পর তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তাহলে এই কেন্দ্রে কাকে প্রার্থী করবে তৃণমূল! এর মধ্যেই জল্পনা বাড়িয়ে দেওয়া হল বিধায়কের সঙ্গে বিজেপির যোগাযোগের। এর আগেও নীহাররঞ্জনের বিজেপি-যোগ মিলেছিল। কৃষ্ণন্দুর নামেও গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। এখন দেখার শেষমেশ কী দাঁড়ায়।

নীহারের বিরুদ্ধে খুনের হুমকির অভিযোগ কৃষ্ণেন্দুর
কৃষ্ণেন্দু অভিযোগ করেন, পুলিশ সামনেই তাঁকে হুমকি দিয়েছেন নীহার। সেই হুমকির ভিডিও ফুটেজ তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি কৃষ্ণেন্দুর। তিনি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই হুমকির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবেন। নীহাররঞ্জন প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। তবে এই ঘটনায় যে ফের কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ ও নীহাররঞ্জনের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে তা বলাই যায়।

কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী হুঁশিয়ারি দিয়েছে্ন আইনি পদক্ষেপের
বুধবার মালদহের ইংরেজবাজারের দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী হুঁশিয়ারি দিয়েছে্ন আইনি পদক্ষেপের। ফলে দুই নেতার কোন্দলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের মুখে একেবারে সামনে চলে এসেছে। কৃষ্ণেন্দু অভিযোগ করেছেন, নীহার বলেছে আমার বাড়িতে ঢুকে টেনে বার করে মার্ডার করে দেবেন। এর আগে নীহারের বাড়িতে হামলায় হয়, সেই ঘটনায় কৃষ্ণেন্দুর নামে থানায় অভিযোগ করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications