Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

কালীপুজোয় ‘মা ভবতারিণী’ বাড়ির মেয়ে রূপে সুসজ্জিতা, মঙ্গলারতিই আকর্ষণ দক্ষিণশ্বরে

Subscribe to Oneindia News

কালীপুজোর রাতে বাড়ির মেয়ের সাজে সেজে ওঠেন মা ভবতারিণী। দীপান্বিতা অমাবস্যায় শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের প্রদর্শিত পথেই মা ভবতারিণীর আরাধনায় মাতে দক্ষিণেশ্বর। খাঁটি সোনার অলংঙ্কারে সুসজ্জিতা দেবীর পরণে লাল টুকটুকে বেনারসী। মা দেবী নন, হয়ে ওঠেন বাড়ির মেয়ে। সেইসঙ্গে কালীপুজোর রাতে বিশেষ মঙ্গলারতি দক্ষিণেশ্বের মন্দিরের কালীপুজোর প্রধান আকর্ষণ। তা দেখতেই ভক্তবৃন্দের ঢল নামে মন্দির চত্বরে।

কালীপুজোয় ‘মা ভবতারিণী’ বাড়ির মেয়ে রূপে সুসজ্জিতা, মঙ্গলারতিই আকর্ষণ দক্ষিণশ্বরে

কালীপুজোর দিন সকাল থেকেই খোলা থাকে মন্দির। রাতে জাঁকজমকপূর্ণ কালীপুজো শুরু হওয়ার আগেই ভক্তরা ভিড় জমান মন্দির চত্বরে। সকাল থেকেই নানাভোগ-উপাচারে পুজো শুরু হয়। এখানে রীতি পাঁচরকম মাছের পদ দিয়ে ভোগ নিবেদন করা। ভোগের উপাচারে সাদা ভাত, ঘি ভাত, পাঁচরকম ভাজা, শুক্তো, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টিও থাকে। রাতে থাকে সম্পূর্ণ নিরামিশ বিশেষ ভোগের ব্যবস্থা।

ভক্তদের বিশ্বাস, বিশেষ দিনে মায়ের দর্শনে পুণ্য লাভ হয়। তাই বিশেষ দিনগুলিতে মন্দির চত্বরে ভক্তরা হাজির হন দূর-দূরান্ত থেকে। মন্দির চত্বর যেমন সাজিয়ে তোলা হয় নিত্যনতুন আলোকমালায়, তেমনই থাকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জায়ান্ট স্ক্রিনও লাগানো হয় সকল দর্শনার্থীদের পুজো দেখার সুযোগ করে দিতে। রাতভর মন্দির চত্বর থাকে জমজমাট।

উল্লেখ্য, রানি রাসমণি এই মন্দিরের স্থাপন করেছিলেন। কথিত রয়েছে, তিনি ১৮৪৭ সালে কাশীধামে যাত্রা করবেন বলে মনস্থ করেছিলেন। কিন্তু আগের রাতে স্বপ্ন দর্শনেই তিনি মত পরিবর্তন করেন। মা তাঁকে স্বপ্ন দেন, 'আমাকে দর্শনের জন্য কাশীধামে যেতে হবে না, গঙ্গা তীরে আমার মন্দির নির্মাণ কর।' সেইমতো গঙ্গাতীরে জমি কিনে রানি রাসমণি মা ভবতারিণীর মন্দির নির্মাণ করেন।

কালীপুজোয় ‘মা ভবতারিণী’ বাড়ির মেয়ে রূপে সুসজ্জিতা, মঙ্গলারতিই আকর্ষণ দক্ষিণশ্বরে

১৮৪৭ সালে মন্দির নির্মাণ শুরু হয়। মন্দির নির্মাণ করতে সময় লাগে আট বছর। ১৮৫৫ সালে মন্দির প্রতিষ্ঠার পর রামকুমার চট্টোপাধ্যায় এই মন্দিরের প্রধান পুরোহিত নিযুক্ত হন। দাদা রামকুমারের মৃত্যুর পর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব মন্দিরের সেবার দায়িত্ব নেন। ক্রমেই তাঁর সাধনার স্থল হয়ে ওঠে মা ভবতারিণীর মন্দির চত্বর। ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের অবস্থান হেতু এই মন্দিরটি তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়।

দক্ষিণেশ্বরের এই কালী মন্দিরে মা ভবতারিণী ছাড়াও একাধিক দেবদেবীর মন্দির রয়েছে। মূল মন্দিরটিকে বলা নবরত্ন মন্দির। এই মন্দিরের নয়টি চূড়া। সেইসঙ্গে রয়েছে দ্বাদশ শিবের মন্দির। এছাড়াও রয়েছে রাধা-কৃষ্ণের মন্দির ও নাটমন্দিরও। মা সারদা যেখানে থাকতেন, সেই ঘরটিই এখন সারদা মন্দির হয়েছে।

English summary
কালীপুজোর দিন সকাল থেকেই খোলা থাকে মন্দির। রাতে জাঁকজমকপূর্ণ কালীপুজো শুরু হওয়ার আগেই ভক্তরা ভিড় জমান মন্দির চত্বরে।
Please Wait while comments are loading...