মামলা থেকে সরছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়! চোখে জল চাকরি প্রার্থীদের

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিয়োগ দুর্নীতির সমস্ত মামলা থেকে সরলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার থেকে কলকাতা হাইকোর্টের অন্য কোনও বেঞ্চ নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা শুনবেন। আর সেই বেঞ্চ কি হবে তা ঠিক করবেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশ সামনে আসার পরেই চোখে জল চাকরি প্রার্থীদের।

মাসের পর মাস! বৃষ্টি-গরমকে উপেক্ষা করে পথে অসংখ্য চাকরি প্রার্থী। নবম-দশম থেকে শুরু করে একাধিক বিভাগে চাকরি দাবিতে চলছে ধর্না-আন্দোলন। সেখানে দাঁড়িয়ে আশার আলো দেখিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির রাশ একেবারে শক্ত হাতে ধরেছিলেন তিনি। কার্যত বিচারপতির আসনে বসে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন যে শিক্ষক নিয়োগে বাংলায় দুর্নীতি হয়েছে। এমনকি লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে অযোগ্যরা চাকরি পেয়েছেন।

মামলা থেকে সরছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়!

আর সেই সমস্ত অযোগ্যদের সরিয়ে যোগ্যদের চাকরি দেওয়ার পাইয়ে দিতেও একের পর এক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর তাই খুব অল্প দিনেই চাকরি প্রার্থীদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন 'ভগবান'। আর সেই ভগবানকে সরিয়ে দেওয়ায় চোখে জল চাকরি প্রার্থীদের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলা সরার প্রতিবাদে মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশের সামনে বিক্ষোভ গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, slst চাকরি প্রার্থীদের।

মামলা থেকে সরছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়!

চাকরি প্রার্থীদের দাবি, উনি ভগবান। এভাবে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া ঠিক হল না। তাঁদের দাবি, একটা বাইট দেওয়ার জন্যে যদি বিচারপতিকে যদি সরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে এটা একটা বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কালো দিন। চক্রান্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের। এই প্রসঙ্গে এক চাকরি প্রার্থী রাজু ভোঁরাই জানিয়েছেন, আমরা খুবই দুঃখিত। এই পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির বেড়াজালের শিকড়কে যেভাবে উপড়ে দিয়েছিলেন বিচারপতি গাঙ্গুলি তেনাকে আজ চক্রান্ত করে সরিয়ে দেওয়া হল। আমরা হতাশার মধ্যে পড়ে গেলাম বলে দাবি আন্দলন চাকরি প্রার্থীর।

মামলা থেকে সরছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়!

শুধু তাই নয়, চাকরি প্রার্থীদের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের কি নিয়মের বেড়াজাল আছে আমরা জানি না। কিন্তু যোগ্য প্রার্থীদের যেভাবে পথে বসিয়ে দুর্নীতি হয়েছে তা সবাই দেখেছে। সেখানে আশার আলো দেখিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ফলে হাইকোর্টে ফের একবার বসানোর দাবি চাকরি প্রার্থীরা। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বলে রাখা প্রয়োজন, স্কুল নিয়োগ দুর্নীতি মামলা চলাকালীন একটি টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনই অভিযোগ উঠেছিল প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে। আর এই অভিযোগ শোনার পরেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কখনই বিচারপতিরা টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে পারে না। আর এরপরেই এহেন নির্দেশ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+