বাংলার মাদ্রাসা জঙ্গি তৈরির কারখানা! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রিপোর্টে কাঠগড়ায় জেএমবি
মাদ্রাসাগুলিকে যুবকদের মগজধোলাইয়ের কাজে ব্যবহার করছে বাংলাদেশি জঙ্গিরা। মুর্শিদাবাদ ও বর্ধমানের মাদ্রাসা নিয়ে সম্প্রতি সতর্কবার্তা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
মাদ্রাসাগুলিকে যুবকদের মগজধোলাইয়ের কাজে ব্যবহার করছে বাংলাদেশি জঙ্গিরা। মুর্শিদাবাদ ও বর্ধমানের মাদ্রাসা নিয়ে সম্প্রতি সতর্কবার্তা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত উল মুজাহিদিন এই মাদ্রাসাগুলিকে ব্যবহার করে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আগেই উঠেছিল, এবার সেই অভিযোগকে মান্যতা দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একাধিক জঙ্গি শিবির চলছে। সেই শিবিরে নিয়মিত যাতায়াত করেন কুখ্যাত জঙ্গিরা। অভিযোগ, শুধু আত্মগোপনের জন্য নয়, এই মাদ্রাসাগুলিতে প্রশিক্ষণও চলছে। বাংলাদেশের জঙ্গিরা নদিয়া ও মালদহের মাদ্রাসাগুলিকেও মূলত নিশানা করেছে জঙ্গিরা।
২০১৪ সালের অক্টোবরে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ ঘটে। এই বিস্ফোরণের পরই পশ্চিমবঙ্গে জেএমবি জঙ্গির ঘাঁটির তথ্য সামনে আসে। এরপর তদন্তে নেমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক জঙ্গি গ্রেফতার করেছে এনআইএ। গত সপ্তাহেও কলকাতা ও বেঙ্গালুর থেকে গ্রেফতার হয় খাগড়াগড় বিস্ফোরণ-কাণ্ডের ৫ জঙ্গি।
এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও ভারতে গণতান্ত্রিক সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশের জেএমবি জঙ্গিরা। তারা শরিয়া প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াই চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। সেই কারণেই এ রাজ্যে বিভিন্ন স্থানে গোপন আস্তানা তৈরি করেছে জেএমবি জঙ্গিরা।












Click it and Unblock the Notifications