মায়াপুরের মায়া , শিল্প সম্মেলন থেকে বাংলা পাবে বিশ্বের সবথেকে বড় মন্দির

মায়াপুরের মায়া , শিল্প সম্মেলন থেকে বাংলা পাবে বিশ্বের সবথেকে বড় মন্দির

রাজ্যে শিল্প বাঁ বিনিয়োগ তা হবে কি না জানা নেই, এখনও জানা নেই কর্মসংস্থান হবে কি না। তবে এই রাজ্যে হবে দেশের সব থেকে বড় মন্দির। এমন এক অবাক করা এবং অদ্ভুত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জিন্দাল গোষ্ঠী। তাঁরা রাজ্যে কি বিনিয়োগ করবেন , তাতে কতজনের পেটে ভাত জুটবে তা জানা নেই। তবে ধর্মকর্ম বিরাট করে হবার বিপুল সম্ভবানা রয়েছে জিন্দাল গোষ্ঠী সৌজন্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্ববঙ্গ বানিজ্য সম্মেলনে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

কী বলেছেন জিন্দল ?

কী বলেছেন জিন্দল ?

বুধবার রাজ্যে শুরু হয় দু'দিন ব্যপী বাণিজ্য সম্মেলন। ২০২২ বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। বহু প্রতীক্ষিত এই সম্মেলন। পাশাপাশি বসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাদের সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায় হলেও তাঁরা বেশ হাসি মুখেই কথা বলছিলেন। উপস্থিত ছিলেন দেশের আরও নামী শিল্পপতিরা। রাজ্যে । এমন সম্মেলন থেকে বিরাট ঘোষণা করেন শিল্পপতি সজ্জন জিন্দল। কী বললেন ? নদিয়ার মায়াপুরে৭০০ একর জমি পাওয়া গিয়েছে। সেখানে শিল্পটিল্প হবে না। তৈরি হবে বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির।

কী বলছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ?

কী বলছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা ?

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন দেশে এখন মানুষের পেটে ভাত জোগাড় করা দায় সেখানে প্রধানমন্ত্রী হনুমান মূর্তি উদ্বোধন করছেন। শীঘ্রই খুলে যাবে মহাবিতর্কিত রাম মন্দিরের দরজা। সোজা কথায় দেশে মানুষ খেতে পাক আর না পাক ধর্মটা গিলে খাচ্ছেন। তারই প্রতিফলন সম্ভবত এ রাজ্যেও পড়তে চলেছে। জিন্দাল গোষ্ঠী সবথেকে বড় মন্দির বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা কটাক্ষ করে এও বলছেন যে মন্দির গড়েই যদি পেটে ভাত আসে তবে তাই হোক। শিল্প যখন হবে না তখন তো খড়কুটোর মতো মানুষকে ভগবানে শরনাপন্ন হতেই হবে। এছাড়া আর উপায় কী ?

অঙ্করভাট মন্দির

অঙ্করভাট মন্দির

অঙ্করভাট ভূমি এলাকা দ্বারা বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় কমপ্লেক্স, মন্দিরটি ১২ শতকের গোড়ার দিকে খেমার সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় সূর্যবর্মনের নির্দেশে, সাম্রাজ্যের রাজধানী যশোধরাপুরা এর মধ্যে নির্মিত হয়েছিল। এটি সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রীয় মন্দির হিসেবে কাজ করত। মূলত হিন্দু দেবতা বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা হয়েছিল, এটি ১২ শতকের শেষের দিকে বৌদ্ধ মন্দিরে রূপান্তরিত হয়েছিল।

স্থাপত্যের ভাবনা

স্থাপত্যের ভাবনা

অঙ্করভাট খেমের মন্দির স্থাপত্যের দুটি মৌলিক পরিকল্পনাকে একত্রিত করেছে: মন্দির-পর্বত এবং পরে গ্যালারীযুক্ত মন্দির। এটি হিন্দু ও বৌদ্ধ বিশ্বতত্ত্বের দেবতাদের আবাসস্থল মেরু পর্বতকে উপস্থাপন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। বেশিরভাগ আঙ্কোরিয়ান মন্দিরের বিপরীতে, আঙ্কোর ওয়াট পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এর তাৎপর্য সম্পর্কে পণ্ডিতগণ বিভক্ত। মন্দিরটি এর স্থাপত্যের মহিমা এবং সামঞ্জস্যের জন্য প্রশংসিত হয়, বিস্তৃত বাস-রিলিফ এবং বুদ্ধ ও দেবতার মূর্তি যা এর দেয়ালে শোভা পায়। সাইটের সেরা-সংরক্ষিত মন্দির হিসাবে, আঙ্কোর ওয়াটই একমাত্র যেটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে একটি উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে রয়ে গেছে। মন্দিরটি খেমার স্থাপত্যের উচ্চ শাস্ত্রীয় শৈলীর শীর্ষে রয়েছে। এটি কম্বোডিয়া এবং সারা বিশ্বের বৌদ্ধদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানগুলির মধ্যে একটি, কম্বোডিয়াকে একটি বৌদ্ধ জাতিতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে এটি একটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে৷ এটি কম্বোডিয়ার প্রতীক হয়ে উঠেছে, তার জাতীয় পতাকায় প্রদর্শিত হয়েছে এবং এটি দেশের প্রধান পর্যটকদের আকর্ষণ.

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+