চিকিৎসকের ভূমিকায় ফার্মাসিস্ট, আর গ্রুপ ডি সাজছেন ফার্মাসিস্ট, বঙ্গের কোথায় ঘটল এমন ঘটনা
প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের ভূমিকায় ফার্মাসিস্ট। আর ফার্মাসিস্টের কাজ করছেন নার্স কিংবা গ্রুপ ডি কর্মী। এমনই চিত্র বীরভূমের আমোদপুরের কচুইঘাটা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের ভূমিকায় ফার্মাসিস্ট। আর ফার্মাসিস্টের কাজ করছেন নার্স কিংবা গ্রুপ ডি কর্মী। এমনই চিত্র বীরভূমের আমোদপুরের কচুইঘাটা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের। জেলায় চিকিৎসকের অভাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।

বীরভূমের কচুইঘাটা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। থেকেও নেই চিকিৎসক। কেননা সেখানে একজন চিকিৎসক আছেন বটে, তবে তাঁকে পাওয়া যায় না প্রতিদিন। কেননা এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি ওই চিকিৎসককে সাঁইথিয়া হাসপাতালেও যেতে হয়।
আমোদপুর এলাকার প্রায় ২০টি গ্রামের বাসিন্দারা এই কচুইঘাটা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল। তবে স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ওষুধ মিললেও অনেকেরই রোগ সারছে না। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অবস্থা জানা সত্ত্বেও সেখানে যাচ্ছেন গ্রামবাসীরা, একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগও জানাচ্ছেন তাঁরা। কালে-ভদ্রে চিকিৎসকের সন্ধান মেলে। তবে দায়টা নির্দিষ্ট চিকিৎসকের নয়। বীরভূম জেলা জুড়ে চিকিৎসকেরই অভাব। জেলায় ২২ জন চিকিৎসকের পদ খালি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে সরকারি সূত্রে।
সেই কারণেই যখন চিকিৎসক থাকেন না, তখন ভীড় সামলাতে হয় ফার্মাসিস্ট, নার্স এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের। গ্রামবাসীরাই জানাচ্ছেন চিকিৎসক না থাকলে, ফার্মাসিস্ট চিকিৎসকের কাজ করেন। আর ফার্মাসিস্টের ভূমিকায় চলে যান নার্স কিংবা গ্রুপ ডি কর্মীরা। ফলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা নিয়ে ক্ষুব্ধ রোগী ও তাদের আত্মীয়রা। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পড়ে থেকে জিনিসপত্র নষ্ট হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা। একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, সন্ধের পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বসে মদের আসর।












Click it and Unblock the Notifications