প্রশাসনে কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই সরকারের! করোনা জয়ের পর বিস্ফোরক দিলীপ, সঙ্গে দিলেন বড় আশ্বাস
করোনা জয়ের পর চা চক্র শুরু করলেন দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh)। এদিন জ্যাংড়ায় চা চক্রে যোগ দেন তিনি। এদিন তাঁকে সেখানে খোশ মেজাজে পাওয়া যায়। পাগরি পরে ঘোড়ায় টানা গাড়িতে তিনি চা চক্রে যোগ দেন।
করোনা জয়ের পর চা চক্র শুরু করলেন দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh)। এদিন জ্যাংড়ায় চা চক্রে যোগ দেন তিনি। এদিন তাঁকে সেখানে খোশ মেজাজে পাওয়া যায়। পাগরি পরে ঘোড়ায় টানা গাড়িতে তিনি চা চক্রে যোগ দেন।

দিলীপ ঘোষের করোনা মুক্তি
করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৬ অক্টোবর সল্টলেকের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁকে ২০ অক্টোবর ছেড়ে দেওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে বেশ কিছুদিন জ্বর নিয়ে নিউটাউনের ফ্ল্যাটেই ছিলেন দিলীপ ঘোষ। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বেশ কয়েকদিন ছিলেন আইসোলেশনে।

করোনা মুক্তির পর প্রথম চা চক্র
করোনা মুক্তির পর এদিন প্রথমবার চা চক্রে যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। জর্দা বাগান থেকে সুসজ্জিত মিছিলে, ঘোড়ার গাড়িতে করে তিনি জ্যাংড়ায় পৌঁছন। সেখানেই ছিল এদিনের চা চক্র। এদিন তাঁর পোশাকেও বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে।

ক্ষমতায় এলে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার
দিলীপ ঘোষ এদিন আশ্বাস দিয়ে বলেন, ক্ষমতায় এলে সব দলের রাজনৈতিক কর্মীদের বিরুদ্ধে থাকা রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এদিন তিনি বলেন, সিপিএম-এর শাসনে নিজেদের কর্মীদের নিজেরাই হত্যা করে রাজনৈতিক ভাবাবেগ তৈরি করে মামলা করত, ঠিক তেমনই করছে তৃণমূল। যাতে কেউ দল ছাড়তে না পারে তার চেষ্টা করছে, বর্তমান শাসকদলও। তাঁর অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে প্রতিহিংসা পরায়নতার জন্যই রাজনৈতিক মামলা হয়। আদালতে লক্ষ লক্ষ মামলা জমে রয়েছে। এর বেশিরভাগই মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে যেসব রাজনৈতিক মামলা রয়েছে, তা যেদলেরই হোক, তা প্রত্যাহার করা হবে।

সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রতিক্রিয়া
দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরানো প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সংগঠনে পরিবর্তন চলতেই থাকে। তিনি বলেন, সংগঠন যাকে যা দায়িত্ব দেয়, তেই ভাবেই তা পালন করা হয়। সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বিজেপিতে ৫ থেকে ৬ বছর কাজ করেছেন বলে জানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁকে পরবর্তী সময়ে হয়ত অন্য দায়িত্ব দেওয়া হবে।

প্রশাসনে নিয়ন্ত্রণ নেই সরকারের
এদিন বাগনানের নেতার মৃত্যু প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রশাসনের ওপরে সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আর সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করছে। শুধু বাগনানই নয়, সিতাই, মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনায় বিজেপি নেতা, কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে। পুজোর মধ্যেও রাজ্যে খুন খারাপি চলেছে।

গত বছরের অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে চা চক্র
গত বছরের অগাস্ট থেকে চা চক্র শুরু করেছেন দিলীপ ঘোষ। মূলত তৃণমূলের দিদিকে বলোর মোকাবিলার করতেই চা চক্রে দিলীপদা কর্মসূচি শুরু করা হয়। গত একবছরের বেশি সময়ে শুধু কলকাতা কিংবা আশপাশের এলাকাতেই নয়, জেলা সফরে গিয়ে চা চক্রে যোগ দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। সাধারণ মানুষ থেকে দলের কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ শুরু করেছিলেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications