হুগলির মহিলা কলেজে ছাত্রী বনাম অধ্যাপক! প্রতিষ্ঠা দিবসকে ঘিরে তুলকালাম-কাণ্ড
হুগলি উইমেন্স কলেজে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। সেন্ট পলস, বেহালা কলেজের পর হুগলি উইমেন্স কলেজে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।
হুগলি উইমেন্স কলেজে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। সেন্ট পলস, বেহালা কলেজের পর হুগলি উইমেন্স কলেজে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে মঙ্গলবার। প্রতিষ্ঠা দিবস পালনে বাধা দিয়ে ক্যাম্পাসে তুলকালাম চালানোর অভিযোগ ওঠে খোদ ছাত্রীদের বিরুদ্ধেই। অভিযোগ, বহিরাগত ছাত্রীরা এই কাজে ইন্ধন দিচ্ছে।

অধ্যক্ষের অভিযোগ, কলেজের ইউনিয়ন রুমকে ক্লাব রুমে রূপান্তরিত করে ফেলেছে বিগত ইউনিয়নের মেয়েরা। এঁরা কলেজের পঠনপাঠন লাটে তুলেছে। এখন রাজনৈতিক দলের কোনও ইউনিট নেই। আগের ইউনিয়নের সদস্যরা কলেজের বিভিন্ন কাজে নাক গলিয়ে অচলাবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে।
অভিযোগ, তারা রুম দখল করে থাকে কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও। রাত সাড়ে আটটা-নটা পর্যন্ত তারা ইউনিয়ন রুমে আড্ডা দেয়। আরও অনেক রকমের কাজ হয় বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্বয়ং অধ্যক্ষ। এমনকী নতুন ছাত্রীদের তাঁরা ক্লাসে আসতে দেয় না বলেও অভিযোগ।
এদিন কলেজে প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠান আয়োজনে বাধা দেয় বহিরাগত ছাত্রীরা। তাঁরা ছাত্রীদের ঢুকতে দেয়নি, মঞ্চ ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। এমনকী মাইকের তারও তাঁরা ছিঁড়ে দেয় বলে অভিযোগ। এরপরই কলেজের অধ্যাপকরা রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখায়। এর একটা বিহিত না হওয়া পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলবে বলে, তাঁরা জানান।
পুলিশ ঘটনাস্থলে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্চ্রমে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বারবার বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরও, বারবার বহিরাগত ছাত্রছাত্রীদের তাণ্ডবে কলেজগুলিতে অচলাবস্থা তৈরি হচ্ছে। শিকেয় উটেছে পঠনপাঠন। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রভাব পড়ছে প্রতিনিয়ত।












Click it and Unblock the Notifications