সমস্ত ধরনের বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের! কালীপুজো-দিওয়ালীতে জ্বালাতে হবে শুধুই প্রদীপ
আলোর উৎসবের আগেই বড় ধাক্কা ব্যবসায়ীদের। সমস্ত ধরনের বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুধু তাই নয়, সমস্ত ধরনের বাজি বিক্রির উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। বৃহওর মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই আদালতের এহেন
আলোর উৎসবের আগেই বড় ধাক্কা ব্যবসায়ীদের। সমস্ত ধরনের বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুধু তাই নয়, সমস্ত ধরনের বাজি বিক্রির উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। বৃহওর মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই আদালতের এহেন সিদ্ধান্ত।
আজ শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানি শেষে এহেন নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের।

শীর্ষ আদালতে যাওয়ার ভাবনা
তবে আদালতের এহেন নির্দেশে বড়সড় ধাক্কা বাজি বিক্রেতাদের। বিক্রেতাদের একাংশের মতে, দীপাবলি এবং কালীপুজোকে সামনে রেখে অনেক টাকার বাজি তোলা হয়েছে। এখন সেগুলি কি হবে? অনেক টাকার ক্ষতির আশঙ্কা বাজি বিক্রেতাদের। তবে এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই উচ্চ আদালতে যাওয়ার ভাবনা চিন্তা বাই বিক্রেতাদের। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে যাওয়ার ভাবনা।

বৃহওর মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই আদালতের এহেন সিদ্ধান্ত
এদিন আদালতের শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, এখনও করোনা চলে যায়। থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়তে পারে। এই জি পোড়ানো, বিক্রি করার অনুমতি দেব কী ভাবে? বৃহওর মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই আদালতের এহেন সিদ্ধান্ত বলে দাবি কলকাতা হাইকোর্টের। দুর্গাপুজোর পর থেকেই বাংলাতে ফের একবার করোনা সংক্রমন বাড়তে চলেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে আশঙ্কায় চিকিৎসকদের একাংশ। এমনকি সংক্রমণ বাড়তে থাকায় থার্ড ওয়েভের আতঙ্কও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আর সেখানে দাঁড়িয়ে কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একটা অংশ। ফলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, এবারে কালীপুজো এবং দীপাবলি মাটির প্রদীপ, মোমবাতি জবালিয়েই কাটাতে হবে।

পর্ষদের সমালোচনা আদালতে
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই বাজি ফাটানোর সময় বেঁধে দেয় পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। শুধু তাই নয়, অন্য কোনও বাজি নয়, বরং পরিবেশ বান্ধব বাজি বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পর্ষদ জানায়, কালীপুজোর দিন মাত্র ২ ঘণ্টা পোড়ানো যাবে আতশবাজি। ওই দিন রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানোর ছাড় রয়েছে। তবে পরিবেশ বান্ধব ছাড়া কোনও বাজি এই সময়ের মধ্যে ফাটানো যাবে না। এমনকি বেঁধে দেওয়া সময়সীমার বাইরে বাজি ফাটালে কড়া ব্যবস্থার ইঙ্গিত দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের। সেই বিষয়টিকেই এদিন কলকাতা হাইকোর্ট সমালোচনা করেন। আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানায়, পরিবেশ বান্ধব বাজির অনুমতি দিয়েছে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, কিন্তু সেগুলো কী ভাবে পরীক্ষা করা হবে? কে পরীক্ষা করবেন তার কোন উত্তর নেই পর্ষদের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications