গ্লানি মুছে সখ্যতা মমতা-জগদীপের! প্রজাতন্ত্র দিবসের গরিমায় কি মুছে যাবে সব কালিমা
গ্লানি মুছে সখ্যতা মমতা-জগদীপের! প্রজাতন্ত্র দিবসের গরিমায় কি মুছে যাবে সব কালিমা
প্রজাতন্ত্র দিবসে কি মুছে গেল সব কালিমা। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান ও প্রশানসিনক প্রধানের মুখচ্ছবি তেমনই জানাচ্ছে। কলকাতায় রেড রোডের কুচকাওয়াজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জগদীপ ধনখড়কে দেখা গেল খোশ মেজাজে। উভয়ের মুখেই হাসি। পরস্পরের বিরুদ্ধে কথা বললেন হাসিমুখে। সৌহার্দ্র বিনিময় করলেন উভয়ে।

রাজ্যপাল বনাম মুখ্যমন্ত্রী সংঘাতের আবহে
রাজ্যপাল হয়ে জগদীপ ধনখড় এ রাজ্যে আসার পর থেকেই তিক্ততায় ভরেছিল মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের সম্পর্ক। উভয়ের মধ্যে বিধানসভায় সাক্ষাৎপর্বেও তুমুল বিতর্ক বেঁধেছিল। পরবর্তী সময়ে রাজ্যপালের ডাকে সাড়া দিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজভবনে গেলেও বিভিন্ন ইস্যুতে সংঘাত পিছু ছাড়েনি।

প্রজাতন্ত্র দিবসে গণতন্ত্রের উৎসবে ভিন্ন ছবি
কিন্তু এদিন প্রজাতন্ত্র দিবসে গণতন্ত্রের উৎসব একেবারে ভিন্ন কিছু ছবি উপহার দিল। যা থেকে উভয়ের মধ্যেকার গ্লানি দূর হয়ে গেল বলেই মনে হয়েছে। এবার পরবর্তী সময়ে ফের কোনও বিষয়ে সংঘাত চরম আকার নেয় কি না তা ভবিষ্যৎ বলবে। আপাতত যুদ্ধে বিরতি হলেই মঙ্গল রাজ্যের।

ভুল বোঝাবুঝির অবসানে এক মঞ্চে উভয়ে
এদিন দীর্ঘদিনের ভুল বোঝাবুঝির অবসানে এক মঞ্চে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীকে। উভয়েই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। রাজ্যপাল এগিয়ে গিয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। উভয়ে প্রায় দু-মিনিট হাসিমুখে কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে কথা বলতে দেখা যায় রাজ্যপাল ঘরণীর সঙ্গেও।
|
রাজভবনে চায়ের নিমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীকে
এদিন ফের মখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজভবনে চায়ের নিমন্ত্রণ করেন রাজ্যপাল। মেঘ কেটে যাওয়ার পর মমতা রাজ্যপালের ডাকে সাড়া দিয়ে রাজভভনে যান কি না, সেটাই দেখার। এর আগে পোর্ট ট্রাস্টের অনুষ্ঠানে প্রথমবার এক মঞ্চে দেখা যায় রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীকে। তবে সেদিন উভয়ের মধ্যে সৌহার্দ্র্যের এই ছবিটা দেখা যায়নি। যা দেখা গেল এদিন রেড রোডে।












Click it and Unblock the Notifications