• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শঙ্খ ঘোষ, সলমন হায়দরকে ডিলিট যাদবপুরের, সায় না থাকলেও 'মানলেন' রাজ্যপাল

  • |

যাদবপুর বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের। বাবুল সুপ্রিয় কাণ্ডের পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যতবারই হস্তক্ষেপ করেছেন ততবারই বিপাকে পড়তে হয়েছে তাঁকে।

শঙ্খ ঘোষ, সলমন হায়দরকে ডিলিট যাদবপুরের, সায় না থাকলেও মানলেন রাজ্যপাল

এদিকে শুক্রবারই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট বৈঠকে এবারের সমাবর্তনে সাম্মানিক ডিলিট এবং ডিএসসি ডিগ্রি প্রাপকদের নামের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার কথা ছিল। এদিন সেই নাম বাছাইকে ঘিরেই কোর্ট সদস্যদের সঙ্গে বিতর্কে জড়াতে দেখা যায় রাজ্যপালকে। আগামী ডিসেম্বরের আসন্ন সমাবর্তনে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ডিলিট প্রাপক হিসাবে বাংলার বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষ, প্রাক্তন বিদেশ-সচিব সলমন হায়দারের নাম ঠিক করা হয়। পাশাপাশি ডিএসসি প্রাপকদের তালিকায় নাম ওঠে আসে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউটের অধিকর্ত্রী সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজ্ঞানী সিএনআর রাওয়ের।

পদাধিকার বলে রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যকে এদিন কোর্ট বৈঠকে সভাপতিত্ব করতেও দেখা যায়। বৈঠক কিছু দূর গড়ানোর পরই দানা বাঁধতে শুরু করে বিতর্ক। অন্যদিকে বৈঠকে প্রস্তাবিত ওই চার জন বিশিষ্ট জনের নাম জানতেন না বলে জানান রাজ্যপাল। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর কর্মসমিতির বৈঠকে ঠিক হওয়া এই নামের তালিকা অনেক আগেই রাজভবনে পাঠানো হয়েছিল। সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত নাম গুলির থেকেও আরও অনেক 'যোগ্য ব্যক্তি’ ব্যক্তি আছেন বলে মন্তব্য করতে দেখা যায় রাজ্যপালকে। এই বিষয়ে চাইলে বিজ্ঞাপন দেওয়া যেতে পারতো বলেও জানান তিনি। ঠিক সেই সময়েই এক কোর্ট সদস্য তাকে মনে করিয়ে দেন এই অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়ার রেওয়াজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনওই ছিলনা।

প্রাক্তন বিদেশ-সচিব সলমন হায়দারের জীবন পঞ্জি দেখতে চেয়ে তার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে দেখা যায় রাজ্যপালকে। তিনি জানতে চান আরবি জানাটা কোনও যোগ্যতার মধ্যে পড়ে কি না। তখন রাজ্যপালকে পাল্টা প্রশ্ন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান ওম প্রকাশ মিশ্র জানতে চান ' মনমোহন সিং বা অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বায়োডাটার প্রয়োজন হয় কি ?’

এই সময় তাকে একাধিক শিক্ষকের সঙ্গেও বাদানুবাদে জড়াতে দেখা যায় বলে সূত্রের খবর। বৈঠক শেষ করে রাজভবনে ফিরে গিয়ে পরবর্তীতে তিনি তার পছন্দের তালিকা জানাবেন বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানান রাজ্যপাল। কিন্তু মিটিং চলাকালীন সময়েই যাতে রাজ্যপাল তার 'পছন্দসই’ নামের তালিকা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন সেই বিষয়ে রাজ্যপালের কাছে পাল্টা দাবি জানান বৈঠকের প্রায় সকল সদস্য।

এরপর কিছু সময় পার হতেই সুর নরম করতে দেখা যায় রাজ্যপালকে। বিশ্ববিদ্যালয় মনোনীত চারটি নামই মেনে নেন তিনি। ইতিমধ্যেই নজিরবিহীন ভাবে কোর্ট বৈঠকে শিক্ষকদের সঙ্গে রাজ্যপালের এই বাদানুবাদকে ঘিরে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনীতি থেকে শুরু করে শিক্ষা-মহলে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহ উপাচার্য সিদ্ধার্থ দত্ত এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে বলেন 'যাদবপুরের ঐতিহ্য মেনে কোর্ট সমবেত ভাবে যে ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তা সত্যই প্রশংসনীয়। যাদবপুর আরও একবার গণতান্ত্রিকতার প্রমান রাখলো।’ অন্যদিকে যাদবপুরকে নিয়ে বারংবার রাজ্যপালের 'অত্যুৎসাহ’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে একাধিক মহল থেকে।

English summary
governor again on debates after Decision-conflict with the Jadavpur University Administration
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more