• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    ভূত ভর করেছে ছাত্রীর উপর! আতঙ্ক এলাকায়, আজও কুসংস্কারে ডুবে সমাজ

    কবর থেকে উঠে আসা ভূত নাকি চেপেছে বছর আটেকের বালিকার ঘাড়ে। তা নিয়েই পড়ে গেল হুলুস্থূল। এলাকাবাসীর দাবি ভূতে ধরেছে বলেই, ছাত্রী এমন অস্বাভাবিক আচরণ করছে। তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী চিৎকার-চেঁচামিচি করছে, কখনও মায়ের গলা টিপতে যাচ্ছে। এই ঘটনায় ভূতের আতঙ্ক তো ছড়িয়েছেই, তার থেকেও লজ্জার এ ঘটনা কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের।

    ভূত চেপেছে ছাত্রীর ঘাড়ে! তারপরের ঘটনা সমাজের বুকে অত্যন্ত লজ্জার, আতঙ্ক এলাকায়

    চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির পাহাড়পুরের বড় চৌধুরী পাড়ায়। হঠাৎ ওই বালিকার অস্বাভাবিক আচরণ দেখে সবাই-ই বলতে শুরু করে ওকে ভূত ধরেছে। সঙ্গে সঙ্গে নানা দাওয়াই শুরু হয়ে যায়। কেউ সুপারি গাছের পাতা হাতে দলে ওই বালিকার নাকে দেয়, কেউ কানে দেয় সরষের তেল। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।

    [আরও পড়ুন:রোজ তো দুধ খান, আসলে কি সত্যিকারের দুধ পেটে যাচ্ছে, কলকাতার ঘটনায় নয়া শঙ্কা]

    এরপরই আবির্ভূত হন মৌলবি। তিনি এবার শুরু করেন ঝাড়ফুঁক। চলতে থাকে তুকতাকও। ভূতের সঙ্গে কথোপকোথনও চলতে থাকে তাঁর। জানা যায়, কবরে ভূত খুব কষ্টে আছে। তাই সেই ভূত এসে ভর করেছে ছাত্রীর উপর। এই ঘটনায় প্রকট হয়ে পড়ে এখনও সামাজিক কুসংস্কারের শিকড় কতখানি গভীরে রয়েছে।

    [আরও পড়ুন: দিনহাটায় 'পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ' থেকে গুলি তৃণমূল নেতাকে ]

    সম্প্রতি এক তরুণী আত্মঘাতী হন এলাকায়। তাঁকে কবর দেওয়া হয় পাড়াতেই। তার অতৃপ্ত আত্মাই ছাত্রীকে ভর করেছে। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। ভূতের আতঙ্ক কাটাতে তাই সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করছে জেলা প্রশাসন। মেডিকেল টিম পাঠানোরও নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক।

    [আরও পড়ুন:তামিলনাড়ুতে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় 'গাজা', তছনছ নাগাপট্টিনম, ছয়টি জেলায় লাল সতর্কতা]

    English summary
    Ghost panic is spread in Jalpaiguri and a girl student is behaved unnatural. This incident clears social shame is continuing,
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more