মাড়গ্রামে মাওবাদী যোগ রয়েছে দাবি ফিরহাদের, পাল্টা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই সিলমোহর মৃতের পরিবারের
তৃণমূলের গোষ্ঠিদ্বন্দ্বেই ২ জনের মৃত্যু দাবি মৃতের পরিবারের
অনুব্রত নেই বীরভূমে। দায়িত্ব নিজের হাতেই রেখেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বীরভূম ছাড়তেই মাড়গ্রামে বোমাবাজি। ২ তৃণমূল কংগ্রেস নেতার মৃত্যু। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব মানতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন এতে মাওবাদী যোগ রয়েছে। আবার ঘটনার দিন তিনি দাবি করেছিলেন বিজেপি বোমা তৈরির মশলা পাঠাচ্ছে।

বীরভূমের মাড়গ্রামে বোমাবাজির ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২ জনই তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। একজন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের ভাই লাল্টু শেখ আর দ্বিতীয় জন নিউটন শেখ। লাল্টু শেখের বন্ধু। শনিবার রাতে বাইকে বোমা নিয়ে নাকি ফিরছিলেন তাঁরা। সেই সময় তাঁদের উপরে বোমাবাজি করা হয়। তাতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নিউটন শেখ। লাল্টু সেখকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। তাঁর শরীরে একাধিক আঘাত ছিল। স্থানীয়রা দাবি করেছিলেন, বোমামারার পর লাল্টু শেখকে তুলে নিয়ে গিয়ে শাবল দিয়ে কোপানো হয়েছিল।
প্রথমে এই ঘটনার নেপথ্যে কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে দাবি করা হয়। ঘটনার পরের দিন অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতার বাড়িতে ভাঙচুরও চালানো হয়। এই ঘটনায় বিজেপির হাত রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি বীরভূমের দেখাশোনার দািয়ত্ব দেওয়া হয়েছে সেকারণে বীরভূমের ঘটনা নিয়ে ফিরহাদ হাকিম তৎপর হয়েছিলেন। কেন এই ঘটনা ঘটল পঞ্চায়েত ভোটের আগে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল।
প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব বলে অভিযোগ করে বিজেপি। সেই অভিযোগকে খারিজ করে ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন মাওবাদী যোগ রয়েছে এই ঘটনায়। তবে মৃতের পরিবার বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তাঁদের দাবি কংগ্রেস-বিজেপি নয় তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বেই খুন হতে হয়েছে তাঁদের পরিবারের ছেলেকে। এর আগে বাসন্তীতেও একই অভিযোগ উঠেছিল। বোমাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নিজে দাবি করেছিলেনন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই মারা গিয়েছিলেন পরিবারের লোকেরা।












Click it and Unblock the Notifications