বসিরহাটে নকল কীটনাশক কারখানার হদিশ
বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া রামচন্দ্রপুরের ঘটনা।
বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া রামচন্দ্রপুরের ঘটনা। রাজ্যে মধ্যে বরাবরই বসিরহাট মহকুমাকে কৃষি ভান্ডার বলা হয়। আর সেখানেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। এখানকার বহু সবজি ফসল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুরু করে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেয়। আর সেখানেই জালিয়াতির অভিযোগ।

কৃষকরা ফসল ফলাতে দামি কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করত। পাওয়া গেল জাল কীটনাশক তৈরি করার কারখানা। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল। এখানে জাল কীটনাশক তৈরি হচ্ছে এবং নামি কোম্পানির লেবেল লাগিয়ে সেই কারবার চলত।
বাদুড়িয়া থানার পুলিশ আধিকারিক বাপ্পা মিত্রের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সীমান্ত লাগোয়া গ্রাম রামচন্দ্রপুর যায়। জনৈক রেজাউল বৈদ্য তার বাড়িতেই ছিল সেই কারখানা। আর সেখান থেকেই জাল বিস্তার করেছে এই নকল কীটনাশক। সেখানে বসে নামি কোম্পানির লেবেল তৈরি করে বোতলের গায়ে লাগিয়ে ব্যবসা চালাতো রেজাউল।
বেশ কয়েক বছর ধরেই এই ব্যবসা চলছিল। স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের কাছে এই খবর আসে। তারাই গোপনে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জাল কীটনাশক কারখানায় হানা দেয়। উদ্ধার হয় দু বস্তা কাঁচামাল। কয়েকশো বোতল কীটনাশকের বোতলে।
লাগানো নামী কোম্পানির লেভেল যার বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। ঘটনাস্থল থেকে রেজাউল বৈদ্য নামে এক জাল কীটনাশক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ইতিমধ্যে রেজাউলকে জেরা করা হয়েছে, এর সঙ্গে কোন বড় কোম্পানির যোগসূত্র আছে কিনা। কিংবা আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ আছে কিনা এই কারবারি সেটাও তদন্তে রাখছে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ। ধৃত রেজাউলকে আজ মঙ্গলবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications