খাওয়া বন্ধ করেছেন কালীঘাটের কাকু! আদালতে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা ইডির
খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন কালীঘাটের কাকু! তদন্তে অসহযোগিতা করছেন। আদালতে এমনটাই জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মঙ্গলবার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ট সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রকে গ্রেফতার করে ইডি। এরপর আজ বুধবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়।
তার আগে যদিও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্যে জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে লক্ষ্য করে চোর চোর শ্লোগান ওঠে। যদিও কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই আদালতে তোলা হয় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। তবে গ্রেফতারেরর পর থেকেই একেবারে স্পিকটি নট তিনি। সাংবাদিকরা একাধিক প্রশ্ন করলেও তা সবই এড়িয়ে যান কালীঘাটের এই কাকু।

তবে এদিন আদলতে ইডির তরফে কাকুর বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। আইনজীবী মারফত ইডি বলে, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র মঙ্গলবার থেকে খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে কাস্টডিতে শরীর খারাপ হতে পারে। শুধু তাই নয়, হসপিটালাইজড হয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তদন্তকারী সংস্থার।
শুধু তাই নয়, ২৪ ঘন্টা অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কিছু খাননি সুজয়। তদন্তে অসহযোগিতা করছে বলেও অভিযোগ ইডির। পাশাপাশি মানিকের সঙ্গে একাধিক লিঙ্ক সুজয়ের পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। এমনকি কুন্তলের সঙ্গেও মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এদিন আদালতে।
ইডি বলে, মানিকের সঙ্গে ২০১৮ সাল থেকে WhatsApp chat হয়েছে। Whatsapp এ মার্কশিট, অ্যাডমিট কার্ড শেয়ার করা হয়েছে বলে দাবি ইডির। শুধু তাই নয়, কালীঘাটের কাকুর মোবাইল থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য যে গুলো hiden chilo, ডিলিট ফাইল, ব্যাংক ট্রান্সফার ছিল সেগুলো রিকভার করা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আর সেই সমস্ত তথ্য যাচাই করে তদন্তকারী আধিকারিকরা বলছেন সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র ২০১৪ সাল থেকে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। শুধু তাই নয়, তাঁর বিপুল সম্পত্তি স্ক্যানারে আছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে এই বিষয়ে আরও জেরা প্রয়োজন। আর সেই কারনে ১৪ দিনের ইডি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষ হয়েছে। আদালতে এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দেশ দেয়নি বলেই খবর।












Click it and Unblock the Notifications