'সততার প্রতীক' হাওয়াই চপ্পল পরেন, হেলিকপ্টারেও ঘোরেন, তোপ গৌতমের

রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদ জানাতে বুধবার 'নবান্ন' অভিযানের পরিকল্পনা নিয়েছিল সিপিএম। কিন্তু, পুলিশি কড়াকড়িতে সেই পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়। ঠিক হয়, ধর্মতলায় রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে জনসভার পর চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে পাঠানো হবে 'নবান্ন'-তে। স্মারকলিপি দিতে। দলীয় সূত্রে দাবি, অন্তত তিন লক্ষ লোক হয়েছিল। পুলিশ অবশ্য বলেছে, মেরেকেটে ৫০ হাজার লোক হয়েছিল।
সমাবেশে লোক যাই হোক, গৌতম দেব স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলেন, "অনেক সহ্য করেছি। এই সরকার ৩২ মাস ক্ষমতায় রয়েছে। এবার ওদের উত্তর দেওয়ার সময় এসেছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তর দিতে চাইছেন না। উনি তো আবার সততার প্রতীক। তাই হাওয়াই চপ্পল পরেন। আবার হেলিকপ্টারেও ঘোরেন। এই টাকা কে দেয়, কেউ জানে না। সারদা-কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোপন বৈঠক করেছিলেন সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে। সেখানে রোজ ভ্যালির মালিকও ছিলেন। কালিম্পঙে ওই গোপন বৈঠক হয়েছিল। কেন তিনি চিটফান্ডের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, সেই উত্তর আজও অজানা।"
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন, "আইনশৃঙ্খলার ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। মেয়েদের নিরাপত্তা নেই। পাড়ায়-পাড়ায় তোলাবাজি করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। দু'হাতে টাকা লুঠছে। অথচ বেকারদের চাকরি নেই। গত আড়াই বছরে পুলিশ ছাড়া আর কোথাও চাকরি হয়নি। এদের আমলে আর চাকরি হবেও না। হতাশা গ্রাস করেছে যুবসমাজকে।"
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গৌতম দেব ছাড়াও বিমান বসুর মতো বর্ষীয়ান নেতারা বক্তব্য রাখেন। কাজের দিনে ধর্মতলায় সভা হওয়ায় মধ্য কলকাতা জুড়ে ব্যাপক যানজট হয়।












Click it and Unblock the Notifications