পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএম-এর আঁতুরঘরেই প্রার্থী দিতে পারল না বামেরা
পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদীয়ার কমিউনিস্ট পার্টির আঁতুরঘর করিমপুরেরর ধোড়দহে প্রার্থী দিতে পারেনি দল।
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রীতিমত সরগরম রাজ্য রাজনীতি। কোথাও প্রার্থী খুন তো কোথাও মনোনয়ন তুলে নেওয়া ঘিরে চাপ। কোথাও বা শাসক দল ও বিরোধীদের পাল্টা মারধর। শাসকের চোঙ রাঙানি থেকে বাদ যাচ্ছেন না সাংবাদিকরাও। এই উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন অংশে প্রার্থী দিতে না পারা নিয়ে উঠে আসছে একাধিক তথ্য়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদীয়ার কমিউনিস্ট পার্টির আঁতুরঘর করিমপুরেরর ধোড়দহে প্রার্থী দিতে পারেনি দল।

নদীয়ায় কমিউনিস্ট পার্টিকে নিজের হাতে পোক্ত জমিয় দিয়ে গিয়েছিলেন স্থানীয় নেতা সমরেন্দ্র সান্যাল। তিনি জেলায় সিপিএম নেতা হিসাবে বেশ সমাদ্রিত ও সম্মানীয় নাম ছিলেন । নিজের বসত বাড়িকে দান করেছিলেন পার্টির জন্য। একসময়ে যেখানে ওঠাবসা ছিল রাজ্য রাজনীতির দাপুটে সিপিএম কর্মকর্তাদের। এখন সেখানেই যতটা দুর্দশাগ্রস্ত পার্টি অফিস, ততটাই করুণ পার্টির অবস্থা। এলাকায় কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যই মোট ১৩ জন। এমনই দাবি এলাকার এক সিপিএম কর্মীর। তাঁর দাবি, প্রার্থী না দিতে পারার অনেক কারণও রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম সংগঠনের কম সদস্য সংখ্যা। উল্লেখ্য, করিমপুরের দু'নম্বর ব্লকের ধোড়দহ এক নম্বর পঞ্চায়েতে ১৩ টি আসন। যার মধ্য়ে সবকটিতেই প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রার্থীই দিতে পারেনি সিপিএম।
১৩ টি আসনের মধ্য়ে বিজেপি ৬ টিতে প্রার্থী দিয়েছএে, কংগ্রেস দিয়েছে ৫ টিতে , অন্যান্যরা দিয়েছে ৩ টি আসনে প্রার্থী। কিন্তু সেখানে সিপিএমএর মতো দল কেন প্রার্থী দিতে পারল না তি নিয়ে হতবাক অনেকেই। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএম সেখানে ১৩টিতে ১১ টি আসনে জয়লাভ করে। বাকি দুটিতে দিতেছিল কংগ্রেস। সেই জায়গায় এবছরের ছবিটা একেবারেই আলাদা। একদিকে যেমন প্রার্থী দিতে পারেনি সিপিএমন অন্যদিকে বিজেপি ৬ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, ফলে এই এলাকার রাজনৈতিক ছবিটা খুবই স্পষ্ট ।












Click it and Unblock the Notifications