মমতা হলেন ‘অন্ধ গান্ধারী’! মহাভারতের ‘মহীয়সী’র সঙ্গে কেন মুখ্যমন্ত্রীর তুলনা অধীরের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিলেন সদ্য প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তৃণমূলে সুপ্রিমোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা তুলে তিনি বলেন, দিদি নিজেই বলছেন সবই জানেন, তবু কিছু বলেন না কেন ভাইদের
ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিলেন সদ্য প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তৃণমূলে সুপ্রিমোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা তুলে তিনি বলেন, দিদি নিজেই বলছেন সবই জানেন, তবু কিছু বলেন না কেন ভাইদের। মমতাকে উদ্দেশ্য করে অধীরের তোপ, আপনার দল আর প্রশাসন মিলে টাকা লুঠ করছে। আপনি দেখেও দেখছেন না।

মমতাকে ‘গান্ধারী’ তোপ
অধীর বলেন, আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান্ধারীর রোল প্লে করছেন। তাঁর মনে হলে চোখ খুলবেন। আর মনে না হলে চোখ বেঁধে রাখবেন। এই তো কয়েকদিন আগেই নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তিনি নিজেই বলেন, কে কোথা থেকে টাকা তোলে, সব খবর দিদির কাছে আছে।

সব জানেন দিদি
বহরমপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কটাক্ষ করেন, কোথা থেকে টাকা তোলা হয়, কে টাকা তোলে, দিদি সবই জানেন। কারণ এটা বলা অত্যন্ত সহজ। অধীরের কথায়, দিদির দলে টাকা না তোলা লোক খুঁজতে গেলে অনুবীক্ষণ যন্ত্র লাগবে। আদতে সবাই তো টাকা তোলেন।

সিবিআই ইস্যুতে তোপ
এদিন সিবিআই ইস্যুতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগেন অধীর চৌধুরী। দিদির মুখে সারাজীবীন ধরে মানুষ শুনে এসেছে সিবিআই চাই। এখন পাল্টি খেয়ে দিদি বলছেন, সিবিআইকে টাটা বাই-বাই। অধীর বলেন, আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে বাংলায় কোন ঘটনায় সিবিআই ভুল ও অন্যায় করেছে। বরং সিবিআই বাংলায় সক্রিয় হলে চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে অনেকর মুখ কালো হয়ে যাবে।

মমতার সিবিআই-নির্দশ
দুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়া সিবিআই প্রবেশ করতে পারবে না রাজ্যে। অন্ধ্রপ্রদেশে চন্দ্রবাবু নাইডু সরকারের পথে হেঁটেই বাংলার সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার ইডিও অন্যান্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে নিয়েও মমতার সরকার কড়া সিদ্ধান্ত নিতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications