Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

হাইকোর্টে SSC-র চাকরি বাতিলের নির্দেশে নিয়ে বড় পর্যবেক্ষণ প্রধান বিচারপতির! আপাতত বহাল বেশিরভাগ নির্দেশ

ওএমআর শিট সব নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে যোগ্য অযোগ্য নির্ধারণ করা যাবে কী ভাবে? এসএসসির চাকরি বাতিলের মামলায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির। এতজনের চাকরি বাতিল নিঃসন্দেহে বড় সিদ্ধান্ত। তবে যদি কোনও উপায় না থাকে, তাহলে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। পর্যবেক্ষণে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি।

দুর্নীতির সুবিধা ভোগী কারা, এঁদেরকে খুঁজে বের করতে হবে। বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। ২২ মে হাইকোর্টের দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ অতিরিক্ত পদ তৈরি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টে তার ওপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। সোমবার এই অংশের ফের শুনানি হবে। তবে চাকরি বাতিলের নির্দেশর ওপরে সুপ্রিম কোর্ট কোনও স্থগিতাদেশ এদিন দেয়নি।

ssc supreme court

নাইসাকে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ওএমআর শিটের বরাত দেওয়া এবং মিরর ইমেজ ছাড়াই ওএমআর শিট নষ্ট করা, জালিয়াতি ছাড়া কিছুই নয়, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের।

অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির সিদ্ধান্তে নিয়ে সিবিআই তদন্তে কি ভোটের মধ্যে জেলে যাবে মন্ত্রিসভা, প্রশ্ন করেন বিতর্কিত চাকরি প্রাপকদের আইনজীবী। আদালত তো নিয়োগ কর্তা নয়, তাহলে চাকরি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় কী করে প্রশ্ন করেন আইনজীবীরা।

এদিনের শুনানি ছিল একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে। সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে অতিরিক্ত শূন্য পদ নিয়ে তদন্তের ওপরেই শুধু অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে। তদন্তের আর কোনও অংশের ওপরে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।

গত সোমবার ২২ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়ে বাতিল হয়ে যায় ২৫, ৭৫৩ জনের চাকরি। যার জেরে ভোটের মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা খায় রাজ্যের তৃণমূল সরকার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার চাকরিহারাদের পাশেই রয়েছে। তারপরেই রাজ্য সরকার, এসএসসি এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদ সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করে।

কলকাতা হাইকোর্ট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনকে নিয়োগপত্র বাতিল করে প্রায় ২৩ লক্ষ ওএমআর শিট পূনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছিল। নির্দেশ দিতে গিয়ে হাইকোর্ট বলে, তাদের হাতে তিনটি বিকল্প ছিল। তার মধ্যে চাকরি বাতিলকেই ঠিক বলে মনে করেছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরে সরকারি সিদ্ধান্তেই যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন,তাঁদেরকে চার সপ্তাহের মধ্যে টাকা ১২ শতাংশ সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে আর ছয় সপ্তাহের মধ্যে এব্যাপারে ডিআই ও জেলাশাসকদের রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকারের আপত্তির পরেও আদালত হার্ড ডিস্ককে তদন্তের বৈধতা দেয়।

মুখ্যমন্ত্রী চাকরি বাতিল নিয়ে আদালত, বিজেপি ছাড়াও সিপিআইএমকেও নিশানা করেন। পাল্টা বিরোধী দলনেতা বলেন, পাঁচ হাজার চারশোজনকে বাঁচাতে বাকি কুড়ি হাজারকে বলি দিয়েছে।

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আদালতে মামলা শুরু হয় ২০২১-এ। তারপর থেকেই তা বাংলার রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলে দেয়। এসএসসির গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

এই মামলায় প্রথমে হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চে যায়। তবে ডিভিশন বেঞ্চে সেই নির্দেশ বহার থাকে। রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে গেলেও সেই মামলা হাইকোর্টে ফেরত পাঠানো হয়। পরে কার্যত অভিজিৎ গাঙ্গুলির অবস্থানই বজায় রাখে হাইকোর্ট।

রাজ্য সরকারের তরফে বারে বারে চারটি ক্ষেত্রের মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের তদন্তের বিরোধিতা করেছে। পরে আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়ে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার। প্রথমে নিয়োগ দুর্নীতির কথা অস্বীকার করলেও, পরে কয়েকজনের জন্য সমগ্র প্রক্রিয়াকে দোষারোপ করা উচিত নয় বলেও মত প্রকাশ করে রাজ্য সরকার।

প্রসঙ্গ ক্রমে উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে রয়েছেন, তৎকালীন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, তৎকালীন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা, এসএসসির তৎকালীন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য। জেলে রয়েছেন যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ এবং কালীঘাটের কাকু অর্থাৎ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+