পুজোর আগেই পরিবর্তন! দিলীপের জায়গায় অনির্বাণ, জোর জল্পনা বঙ্গে
পুজোর আগেই পরিবর্তন! দিলীপের জায়গায় অনির্বাণ, জোর জল্পনা বঙ্গে
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান রূপকথার চেয়ে কম কিছু নয়। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঠিক একবছর বাদেই বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতিত্ব পেয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর হাত ধরেই বিজেপির এরাজ্যে প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা। তবে সবকিছুরই একটা শেষ থাকে। এবার উত্তীর্ণ হতে চলেছে দিলীপ ঘোষের রাজ্য সভাপতি পদের মেয়াদ। এরকমই জল্পনা বাংলার রাজনীতিতে। কিন্তু সত্যিই যদি আজ না হয় কাল দিলীপ সর তাহলে তাঁর জায়গাতে কে? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের কাছেই। উত্তরে যে কটা নাম উঠে আসছে তারমধ্যে অন্যতম পরিচিত মুখ ডঃ অনির্বাণ গাঙ্গুলির।

কেন সরতে হতে পারে দিলীপকে?
বিজেপির দলীয় নীতি অনুসারে কোনও একজন ব্যক্তি টানা ছ'বছরের বেশি রাজ্যের দায়িত্বে থাকতে পারেন না। দিলীপ ঘোষ রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছিলেন ২০১৫ সালে। এই নিয়মের গেরোয় তাঁর পদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে৷ এই কারণেই রাজ্য সভাপতিত্বের পদ ছাড়তে হতে পারে দিলীপ ঘোষকে। যদিও অনেকে বলছেন, ওভাবে নয় দ্বিতীয় টার্ম অর্থাৎ ২০১৯ থেকে ২২ এর নভেম্বর পর্যন্ত দিলীপই থাকবেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি!

গেরুয়া শিবিরের পরিকল্পনা
নভেম্বর অবধি বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদে দিলীপ ঘোষ থাকতে পারেন ঠিকই৷ তবে, সূত্রের খবর আর বেশি অপেক্ষা করতে চাইছে না বিজেপি। সূত্রের খবর দলের অন্দরে অনেকেই মনে করেন যে এই পদে এবার পরিবর্তনের প্রয়োজন। তথাগত রায়ের মতো নেতা এবং কর্মীদের একাংশও মনে করেন, তাঁর অতি আক্রমণাত্মক মন্তব্যের জন্যই আশানুরূপ ফল করতে পারেনি বিজেপি। তাই এবার, দিলীপকে কেন্দ্রীয় কোনও পদ দিয়ে রাজ্যের দায়িত্ব থেকে মুক্ত করার কথা ভাবছে বিজেপি! এরকম জল্পনাও তৈরি হয়েছে৷

দিলীপের বদলে কে?
এখনও কোনও নাম চুড়ান্ত হয়নি। তবে, জোর জল্পনা চলছে তিনজনকে নিয়ে। বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গাঙ্গুলি, ইংলিশবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী রয়েছেন সেই দৌড়ে।
এরমধ্যে অনেকেই মনে করছেন, অনির্বাণ গাঙ্গুলির রাজ্য সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা বাকিদের চেয়ে বেশি। কারণ প্রথমত তিনি দলের অন্যতম শিক্ষিত মুখ, সচরাচর মেজাজ হারান না। দিল্লির নেতৃত্বের সঙ্গেও যোগাযোগ যথেষ্ট ভাল। দলের নীতি নির্ধারণ কমিটির অন্যতম সদস্য তিনি। কর্মীদেরও একটা বড় অংশ মনে করে, তাঁর মতো ভাবমূর্তি সম্পন্ন একজনকে সামনে রেখে লড়াই করতে পারলে আখেরে লাভ হবে দলেরই৷












Click it and Unblock the Notifications