শ্বশুর বাড়ির লোকেরাই দিতেন একের পর এক কুপ্রস্তাব! মর্মান্তিক পরিণতি নববধূর
নদিয়ার নাকাশিপাড়ার বীরপুরে গৃহবধূর মর্মান্তিক পরিণতি। অভিযোগ, ওই বধূকে কুপ্রস্তাব দেয় শ্বশুর ও ভাসুর।
নদিয়ার নাকাশিপাড়ার বীরপুরে গৃহবধূর মর্মান্তিক পরিণতি। অভিযোগ, ওই বধূকে কুপ্রস্তাব দেয় শ্বশুর ও ভাসুর। মৃতার বাপের বাড়ির পরিবারের অভিযোগ, কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ার তাঁর ওপর অত্যাচার করা হতো। নাকাশিপাড়া থানায় শ্বশুর ও ভাসুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতার করা না গেলেও শাশুড়িকে আটক করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

নববধুর বাপের বাড়ি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে সে বাড়িতে ফোন করে জানায় শুক্রবার সকালেই সে বাড়ি যাবে। যদিও তা আর হয়ে ওঠেনি। শুক্রবার সকালে মেয়ের মর্মান্তিক পরিণতির কথা জানতে পারেন শ্বশুর বাড়ি থেকে। কয়েক ঘন্টার মধ্যে এমন কি হল যে আত্মহত্যা করল নববধূ, তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ এবং ওই বধূর বাপের বাড়ির সদস্যরা। তবে তাঁদের অভিযোগ শ্বশুর ও ভাসুর তাদের মেয়েকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিল।
ওই যুবতীর বাপের বাড়ির সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে প্রায় আটমাস আগে তেহট্টের মালিয়াপোতার ওই যুবতীর বিয়ে হয় নাকাশিপাড়ার বীরপুরে। তাঁর স্বামী কাজ করেন সেনাবাহিনীতে। বর্তমানে পোস্টিং দিল্লিতে। যুবতীর বাপের বাড়ির দাবি, বিয়ের পর থেকে দাবিদাওয়া নিয়ে অশান্তি ছিল। স্বামী দিল্লিতে থাকার সুযোগে তাদের মেয়েকে কুপ্রস্তাব দিতেন শ্বশুর ও ভাসুর। এমনটাই অভিযোগ যুবতীর বাপের বাড়ির।
কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যুবতীর ওপর অত্যাচার করা হত বলে অভিযোগ। মাস খানের আগে ওই যুবতী বাপের বাড়িতেও চলে যায়। খবর পেয়ে স্বামী দিল্লি থেকে ফিরে জোর করে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ যুবতীর বাপের বাড়ির। এরপর শুক্রবার সকালে আসে মৃত্যু সংবাদ।
সেই থেকে পলাতল শ্বশুর ও ভাসুর। তবে শাশুড়িকে আটক করে জিজ্ঞাসাবা চালাচ্ছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications