বিরোধী নয় দলের নেতাদের চামড়া গোটাবেন তৃণমূল নেত্রী! পুরনির্বাচনের লক্ষ্যে হুঁশিয়ারিতে শোরগোল শাসক-অন্দরে
বিরোধী নয় দলের নেতাদের চামড়া গোটাবেন তৃণমূল নেত্রী! পুরনির্বাচনের লক্ষ্যে হুঁশিয়ারিতে শোরগোল শাসক-অন্দরে
নেতাদের চামড়া গোটানোর হুঁশিয়ারি তৃণমূল (Trinamool Congress) নেত্রীর। এই হুঁশিয়ারি কোনও বিরোধী দলের নয়, বনগাঁর তৃণমূল নেত্রী আলোরানি সরকারের (Alorani Sarkar)। তাঁর এই হুঁশিয়ারি দলের বিক্ষুব্ধদের প্রতি। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, পুরনির্বাচনে দলের অস্বচ্ছদের টিকিট দেওয়া হবে না।

বিক্ষুব্ধদের হুঁশিয়ারি
২০২৪-এ লোকসভা ভোট। তার আগে ২০২১-এর শেষে কিংবা ২০২২-এর শুরুতে রাজ্যে পুর নির্বাচন হতে চলেছে। বিজেপিকে চাপে রাখতে সেই নির্বাচন যত বেশি সম্ভব আসন জিততে চায় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু সেই পথে যে দলের গোঁজ প্রার্থীরা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন, তা বিলক্ষণ জানেন বিভিন্ন এলাকায় নেতানেত্রীরা। এবার তার জন্য আগে ভাগেই হুঁশিয়ারি। পুর নির্বাচনের দলের গোঁজ প্রার্থী হলে চামড়া গুটিয়ে নেওয়া হবে। ওই নেত্রী বলেছেন, দল যাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করবে, তাঁকেই মানবে হবে কর্মী-সমর্থকদের। আলোরানি সরকার বলেছেন, অনুশাসন যাঁরা মানবেন না, দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে যদি গোঁজ প্রার্থী দেওয়ার কথা চিন্তা করে, তাঁদের চামড়া তিনি গুটিয়ে নেবেন। এই মন্তব্যের জেরে এলাকায় যে তৃণমূলে অন্তর্দ্বন্দ্ব রয়েছে তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন ওই নেত্রী।

টিকিট দেওয়া হবে না অস্বচ্ছদের
ওই নেত্রী পাশাপাশি এও বলেছেন, দল ভাল মুখ দেখে প্রার্থী করবে। তাঁকে মান্যতা দিয়ে জিতিয়ে আনতে হবে। দল যাঁদেরকে অস্বচ্ছ্ব বলে মনে করবে, তাঁদের টিকিট দেওয়া হবে না। অর্থাৎ তৃণমূলে অস্বচ্ছ্বদের অবস্থিতির কথা মেনে নিচ্ছেন আলোরানি সরকার।

ভয় পেয়েছে তৃণমূল
এদিকে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্যের পরে বিজেপির প্রতিক্রিয়া, ভয় পেয়েছে শাসক দল। কেননা বনগাঁ তৃণমূলের দখলে রয়েছে। লোকসভার পাশাপাশি বিধানসভাও তৃণমূলের দখলে। বনগাঁ বিজেপির তরফে বলা হয়েছে, বিষয়টি তৃণমূলের নিজেস্ব ব্যাপার। কাকে চামড়া গোটাবে, কাকে মারবে, সেটা তাদের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ব্যাপার। বনগাঁ বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় মানুষ এবার বিজেপির হাতে পুরসভা তুলে দেবে।

বিভিন্ন সময় বিরোধী ও পুলিশকে হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতাদের
দলের নেতাদেরই শুধু নয়, পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিতেও দেখা গিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল পুলিশকে বোম মারার কথা বলেছিলেন। আর রবিবারই ভাঙড়ে এক সভায় তৃণমূলের যুব নেতা অভীক মজুমদারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে শোনা গিয়েছে বাংলার পুলি, প্রশাসন সব আমাদের। কাশীপুর ও কেএলসি থানার আইসি আমাদের। অতএব এলাকায় যাঁরা আইএসএফকে মদত দেবেন, তাঁদের খুঁজে বের কথা হবে। যদিও এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে স্থানীয় তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা বলেছেন বাচ্চা ছেলে বলেছে, তারা কখনও দল ও সরকারকে এক করে দেখেন না।












Click it and Unblock the Notifications