• search

মোদীকে চিঠি ভিটেমাটি ছাড়া বিজেপিকর্মীদের, ভোট পরবর্তী হিংসায় আশ্রয় ধর্মশালায়

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই ভিটেমাটি ছেড়ে ভিনরাজ্যে আশ্রয় নিতে হয়েছে বিজেপি কর্মীদের! এমনই অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ভিটেমাটি ফিরে পাওয়ার আবেদন জানালেন বিজেপির প্রায় দুই শতাধিক কর্মী। তৃণমূল কংগ্রেস ও পুলিশের শাসানির জেরে তাঁদের ঘরছাড়া হতে হয়েছে বলে অভিযোগ।

    মোদীকে চিঠি ভিটেমাটি ছাড়া বিজেপিকর্মীদের, ভোট পরবর্তী হিংসায় আশ্রয় ধর্মশালায়

    ঘরছাড়ারা মালদহের বাসিন্দা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপি এই জেলায় প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে উঠতেই তাদের উপর আক্রমণ নেমে আসে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই ঘর ছাড়তে বাধ্য হন তাঁরা। প্রাণ বাঁচাতে ঝাড়খণ্ডের মাড়োয়ারি ধর্মশালায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ঘরছাড়ারা।

    [আরও পড়ুন:কলকাতায় জালনোট চক্রের হদিশ, বড়বাজারে হাতেনাতে পাকড়াও দুই পান্ডা ]

    অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটে জয়ের পর সার্টিফিকেট নিতে যাওয়ার সময় থেকেই বাধা আসে শাসক দলের স্থানীয় নেতৃত্বের। ফলে সার্টিফিকেট নেওয়া হয়নি জয়ী প্রতিনিধিদের। বাধ্য হয়ে প্রাণের ভয়ে তারা পালিয়ে আসেন সার্টিফিকেট না নিয়েই। তারপর থেকে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।

    [আরও পড়ুন:'হিটলারের মতোই পরিণতি হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের'! কেন এমন কথা বামনেতার মুখে]

    তৃণমূলকে সমর্থন না করলে, তাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। হুমকি দেওয়া হয় মারধরের। সেই কারণেই ভিটেমাটি ছেড়ে তারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়েন। আতঙ্কে তারা এখনই বাড়ি ফিরতে চাইছেন না। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করলে বাড়ি ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছেন ঘরছাড়ারা।

    English summary
    BJP workers write letter to PM Narendra Modi after leaving house due to threaten of TMC in Malda

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more