প্রশান্ত কিশোর ভবানীপুরের ভোটার! বাংলার নিজের মেয়েকে ‘বহিরাগত’ খোঁটা ফেরাল বিজেপি
প্রশান্ত কিশোর ভবানীপুরের ভোটার! বাংলার নিজের মেয়েকে ‘বহিরাগত’ খোঁটা ফেরাল বিজেপি
তৃণমূলের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের ভোটার। আর প্রশান্ত কিশোরের ভবানীপুরের ভোটার হওয়াকে কটাক্ষ করে আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিজেপির কটাক্ষ, বাংলার নিজের ঘরের মেয়ে কি বহিরাগত ভোটার চায়।

প্রশান্ত কিশোরের ভোটার হওয়ার সৌজন্যে বিজেপির নিশানা
প্রশান্ত কিশোর ভবানীপুরের ভোটার হওয়ায় ভোটার লিস্টের ছবি দিয়ে টুইট করছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র সপ্তর্ষি চৌধুরী। তিনি লিখেছেন, অবশেষে প্রশান্ত কিশোর ভবানীপুরের ভোটার। বাংলার মেয়ে কি তবে বহিরাগত ভোটার চান? বিজেপি তাদের বিরুদ্ধে বহিরাগত আক্রমণটাই এখন ফিরিয়ে দিচ্ছেন ভবানীপুরে প্রশান্ত কিশোরের ভোটার হওয়ার সৌজন্যে।

পিকে ভবানীপুরের ভোটার, বহিরাগত কটাক্ষ মমতাকে
তৃণমূলের ভোটকৌশলী প্রশান্ত কিশোরের নাম রয়েছে ভবানীপুরের ভোটার তালিকায়। এই ভোটার তালিকা অনুযায়ী প্রশান্ত কিশোর ভবানীপুরের সেন্ট হেলেন স্কুলের ভোটার। এবার উপনির্বাচনের প্রাক্কালে নতুন ভোটার তালিকায় তাঁর নাম দেখেই বিজেপি যেন হাতে চাঁদ পেয়ে গিয়েছে। তাঁরা প্রশান্ত কিশোরের গায়ে বহিরাগত তকমা লাগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁটা দিতে শুরু করেছেন।

ভবানীপুরের ভোটার হয়ে সাফাই কী গাইলেন পিকে
ভবানীপুরের ভোটার তালিকায় প্রশান্ত কিশোরের নাম প্রকাশ্য আসার পর বিজেপির দাবি খণ্ডন করে তৃণমূলের ভোট কৌশলী জানিয়েছেন, তিনি মার্চ মাসে এই কেন্দ্রের ভোটার হয়েছেন। অর্থাৎ ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই তিনি বাংলার ভোটার হয়েছেন। আর স্পষ্ট করে বললে ভবানীপুরের ভোটার হয়েছেন। উপনির্বাচনের আগে তিনি ভোটার হননি।

কেন কলকাতা তথা ভবানীপুরের ভোটার হলেন পিকে
প্রশান্ত কিশোর বলেন, যেহেতু তিনি কলকাতায় থেকে তৃণমূলের রণকৌশল ঠিক করার কাজ করছেন, সেই কারণেই কলকাতার ভোটার হয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। তারপরই ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের স্মরণ নিয়েছিল তারা। তারপর থেকে তৃণমূলের হয়ে কৌশল নিরূপণ করে চলেছেন তিনি। এমনকী ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পরও ২০২৬ পর্যন্ত তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কখনও মনে হচ্ছে কংগ্রেসের দোসর, কখনও তৃণমূলের!
প্রশান্ত কিশোর তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোট কৌশল নিরূপণ করলেও একুশের নির্বাচনোত্তর পর্বে তিনি কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর বৈঠকে সেই জল্পনা আরও বেড়েছিল। তারপর তিনি বলছিলেন একুশের নির্বাচনের পরে তিনি আর রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করবেন না। তাঁকে ভিন্ন রূপে দেখা যাবে এবার। তারপর অবশ্য পিকের সংস্থা আইপ্যাকই তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। ফলে পিকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। জাতীয় রাজনীতিতেও তাঁকে কখনও মনে হচ্ছে কংগ্রেসের দোসর, কখনও তৃণমূলের।












Click it and Unblock the Notifications