মুখ্যমন্ত্রীকে জয় শ্রী রাম স্লোগান বিজেপি বিধায়কদের! সাসপেনশন নিয়ে বিস্ফোরক মমতা
বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই উত্তাল বিধানসভা। গত কয়েকদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিজেপি বিধায়কদের হই হট্টগলের মধ্যে বক্তব্য রাখতে পারেননি। প্রথম এবং শেষ লাইন পড়েই সাংবিধানিক
বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই উত্তাল বিধানসভা। গত কয়েকদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিজেপি বিধায়কদের হই হট্টগলের মধ্যে বক্তব্য রাখতে পারেননি। প্রথম এবং শেষ লাইন পড়েই সাংবিধানিক সঙ্কট এড়িয়ে গিয়েছেন।

আর এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার দুই বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় ও মিহির গোস্বামীর সাসপেন্ড করা হয়। আর এই সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে এদিন সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় বিধানসভার মধ্যে। আর এর মধ্যেই রাজ্যপালের ভাষণের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ভাষণ রাখতে শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
একাধিক ইস্যুতে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বক্তব্য রাখেন তিনি। আর তাঁর বক্তব্য চলাকালীনই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। এমনকি কখনও বন্দেমাতরম আবার কখনও ভারত মাতার নামেও স্লোগান উঠতে থাকে। এমনকি জয় শ্রী রাম স্লোগান দিতেও শোনা যায় বিজেপি বিধায়কদের। কার্যত এই অবস্থায় কিছুটা মেজাজ হারান মুখ্যমন্ত্রী।
বলেন, বিজেপি বিধায়কদের হেরেও লজ্জা নেই। কেউ কেউ নিজেদের ওয়ার্ডে হেরেও লজ্জা নেই বলেও কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এমনকি বিজেপি বিধায়করা বিধানসভার সংস্কৃতি নষ্ট করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিধানসভা সুত্রের খবর এদিন মুখ্যমন্ত্রী দুটি ভাগে বক্তব্য রাখেন।
একদিকে সরকারের উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন। গত কয়েক বছরের তাঁর নেতৃত্বে সরকার কি কি কাজ করেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন অন্যদিকে বিজেপির তীব্র সমালোচনা করেন নেত্রী। বিজেপি বিধায়কদের চিৎকার চেঁচামেচি প্রসঙ্গে মমতা বলেন, বিজেপি বিধায়করা সব নিজেদের ওয়ার্ডেই হেরে গিয়েছে।
শুধু তাই নয়, এমন ভাবে চিৎকার চেঁচামেচি করে বিধানসভার সংস্কৃতি নষ্ট করা যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি। তবে দুই বিজেপি বিধায়কের সাসপেন্ড করা নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, "রাজ্য সভায় আমাদের বহু সদস্যকে সাসপেন্ড করে রেখেছে। যেখানে একটা ভোটও ম্যাটার করে।
দিল্লি এক আর বাংলায় আরেক? আমাদের সাংসদদের সাসপেন্ড করেছে , তবে বাংলা কেন ব্যতিক্রম হবে?" তবে মুখ্যমন্ত্রীর পালটা বক্তব্য দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বিরোধীদের কন্ঠোরধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিজেপি বিধায়কদের বলতে দেওয়া হচ্ছে না। আর গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পুরভোটের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুখ খোলা হয়েছে বলে বিধায়কদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications