Bengali Classical language: গর্বিত হন বাঙালি হিসাবে, বড় ঘোষণা মোদীর! 'স্বপ্ন পূরণ' বললেন মমতা
Bengali Classical language: বাংলা ভাষাকে বড় স্বীকৃতি মোদী সরকারের! উৎসবের মরশুমে ক্লাসিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ বা ধ্রুপদী ভাষা হিসাবে বাংলাকে অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে 'ধ্রুপদী ভাষায' হিসাবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়।
একই সঙ্গে আরও চার ভাষাকে 'ধ্রুপদী ভাষা' অর্থাৎ ক্লাসিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। উৎসবের আগে এহেন প্রাপ্তিতে (Bengali Classical language) উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (West Bengal CM)।

এর পিছনে থাকা অবদানের ককথা তুলে ধরেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ''আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে ভারত সরকার একটি ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। অনেকদিন ধরে আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে এই সংক্রান্ত গবেষণালব্ধ বিপুল তথ্য জমা দিয়ে দাবি করছিলাম যাতে বাংলা ভাষাকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আজ আমাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।
কেন্দ্রীয় সরকার আজ সন্ধ্যায় আমাদের দাবি মেনে নিয়েছে। অন্য কয়েকটি রাজ্যের ভাষা আগে এই স্বীকৃতি পেলেও বাংলাকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিল। ভালো লাগছে, আমাদের লড়াইয়ে অবশেষে বাংলা ভাষা এই অভিপ্রেত এবং ন্যায্য স্বীকৃতি পেল''।
তবে এহেন ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অবদান অনেক বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ''সমগ্র রাষ্ট্রের দরবারে বাংলা ভাষাকে অন্যতম ধ্রুপদী ভাষা (Classical Language) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য ভারতের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী মাননীয় Narendra Modi মহাশয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সুদীর্ঘকাল ধরে প্রতিটি বাঙালির মাতৃভাষাকে ঘিরে যে স্বপ্ন, তা আজ পূরণ হলো নরেন্দ্র মোদীজীর হাত ধরে।
পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত একজন সাংসদ হিসেবে এবং সর্বোপরি একজন বাঙালি হিসেবে গর্বিত বোধ করছি। আমরা আপ্লুত, গর্বিত! পশ্চিমবঙ্গের সর্বাঙ্গীন বিকাশ এবং প্রগতির লক্ষ্যে সর্বদা সংকল্পবদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় গৃহীত এই সিদ্ধান্তে আরও একবার প্রমাণ হলো বাংলা ভাষা এবং বাঙালির প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঠিক কতটা সমর্পিত এবং নিষ্ঠাশীল হয়ে কাজ করে চলেছেন''।
বলে রাখা প্রয়োজন, সাহিত্য আকাডেমির অন্তর্গত লিঙ্গুইস্টিক্স এক্সপার্টস কমিটি এই বিষয়ে কাজ চালাচ্ছিল। মারাঠি, পালি, প্রাকৃত, আহমিয়া এবং বাংলাকে ক্লাসিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজ বা ধ্রুপদী ভাষায় স্বীকৃত দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। আর তা দেওয়া হয় জুলাই মাসে। অবশেষে মিলল অনুমোদন।












Click it and Unblock the Notifications