যা ঘটেছে তা চারদিনের মধ্যেই হয়েছে, তাও মেয়ের ভর্তির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে! কেন এমন বললেন Babul Supriyo
দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না! দীর্ঘ সাত বছর পর ''বোধদয়'' বাবুলের। আর তাই কাজ করতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সঙ্গে হাত মেলালেন তৃণমূলের সবথেকে সমালোচক! সদ্য প্রাক্তন বিজেপি নেতার সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এখনও জ্বল জ্বল করছে
দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না! দীর্ঘ সাত বছর পর ''বোধদয়'' বাবুলের। আর তাই কাজ করতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সঙ্গে হাত মেলালেন তৃণমূলের সবথেকে সমালোচক! সদ্য প্রাক্তন বিজেপি নেতার সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এখনও জ্বল জ্বল করছে তৃণমূলকে আক্রমণের একাধিক উদাহারন।

কিন্তু ওই যে রাজনীতিতে নাকি অসম্ভব বলে কিছু নেই। আর সেই কারনে গুরু দায়িত্ব পেতেই তৃণমূলে যোগ দিলেন বাবুল। যদিও কি দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে কোনও কিছু স্পষ্ট করেননি বাবুল। বিষয়টি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেকের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন বাবুল।
তবে প্রশ্ন উঠছে বাবুলের তৃণমূলের যোগের বিষয়ে কি কিছুই কেউ জানতেন না? যদিও এই বিষয়টি নিজেই স্পষ্ট করেছেন বাবুল। তিনি জানিয়েছেন, পুরো ঘটনাটি ঘটেছে চারদিনের মধ্যেই।
শুধু তাই নয়, বাবুল জানিয়েছেন, দিল্লি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে কলকাতায় থাকতে আসছেন তিনি। আর এখানে তাঁর মেয়েকে ভর্তি করা নিয়ে ডেরেকের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। আর সেই সময়েই তৃণমূলে যোগদানের আমন্ত্রণ পান প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
শুধু তাই নয়, বাংলার জন্যে কাজ করার বার্তা পাওয়ার পরেই নাকি তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বাবুল। তাঁর মতে, ''আমি কাজ পাগল মানুষ। বাংলার জন্য কাজ করতেই সিদ্ধান্ত বদল করলাম। এর মধ্যে প্রতিহিংসার কিছু নেই। বাংলার জন্য কাজ করার এই সুযোগ ছাড়তে চাইনি।''
বাবুলের কথায়, রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হৃদয় থেকে। তখন তৃণমূলে আসার বা অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না। পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতোই একটা বড় সুযোগ চলে এল। বাংলার হয়ে কাজ করার মতো এত বড় সুযোগ আর পাব না। তাই হাতছাড়া করতে চাইনি। সেই কারণেই রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত বদল করে তৃণমূলে যোগ দিলাম।
উল্লেখ্য, আজ শনিবার দুপুরে সবাইকে চমকে তৃণমূলে যোগ দেন বাবুল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। বাবুলের তৃণমূলের যোগদানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। কার্যত বাংলার রাজনীতিতে বয়ে যায় ঝড়। সমালোচনার ঝড় উঠতে থাকে। তবে এদিন বাবুল বলেণ কাজের সুযোগ দেওয়া হয়েছে নাকি।
কী সেই সুযোগ? যা বাবুল সুপ্রিয়কে দিতে গেল তৃণমূল? সে জন্যই কি তড়িঘড়ি অর্পিতা ঘোষকে সাংসদ পদ থেকে সরিয়ে সংগঠনে আনা হল? বাবুল সুপ্রিয়কে কি তবে অর্পিতা ঘোষের জায়গায় রাজ্যসভায় পাঠানো হবে। আর কাউকে যদি রাজ্যসভায় পাঠানো হয়, তা বাংলায় কাজের জন্য বিরাট বড় সুযোগ হবেই বা কেন? এখন বাবুলের ওই মন্তব্য নিয়েই কাটাছেঁড়া করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications