বাবুল কেন বিজেপি ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে, বড় ‘সুযোগে’র বার্তায় নিজেই জানালেন কারণ
যা ঘটার শেষ তিনদিনে ঘটেছে। আমি হৃদয় থেকেই রাজনীতি ছেড়েছিলাম। কিন্তু এত বড় সুযোগ এসে যাবে ভাবিনি। আমি চাইনি সুযোগ হাতছাড়া হোক। তাই রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেও তৃণমূলে যোগ দিয়ে আমি গর্বিত বোধ করছি।
যা ঘটার শেষ তিনদিনে ঘটেছে। আমি হৃদয় থেকেই রাজনীতি ছেড়েছিলাম। কিন্তু এত বড় সুযোগ এসে যাবে ভাবিনি। আমি চাইনি সুযোগ হাতছাড়া হোক। তাই রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেও তৃণমূলে যোগ দিয়ে আমি গর্বিত বোধ করছি। আমি গর্বিত সিদ্ধান্ত বদল করার জন্য। বাংলার কাজের জন্যই সিদ্ধান্ত বদল করলেন বাবুল, গর্বের সঙ্গে সে কথা জানান তিনি।

'বড় সুযোগ এসেছে, তা হাতছাড়া করতে চাইনি'
মাত্র দেড় মাস আগে ফেসবুকে লম্বা পোস্ট করে রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। তখনই তিন সাংসদ পদও ছাড়তে ছেয়েছিলেন। তারপর শেষমেশ সাংসদ পদ রখেই তিনি রাজনীতিকে আলবিদা জানান। তখন তা নাটক বলেই ব্যাখ্যা করেছিল তৃণমূল। এবার কিন্তু পাশা উল্টে গেল। বাবুল তৃণমূলে যোগ দিয়ে বললেন, বাংলার কাজের জন্য বড় সুযোগ এসেছে, তা হাতছাড়া করতে চাইনি।

তৃণমূলের কাছ থেকে বড় সুযোগ পেয়ে গেলেন বাবুল!
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে উত্তরীয় গলায় পরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। তারপর তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও'ব্রায়েনকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিজেপিতে কাজ করার মতো কোনও স্পেস ছিল না। তারপর হঠাৎ করেই তৃণমূলের কাছ থেকে বড় সুযোগ পেয়ে গেলাম। তাই সিদ্ধান্ত বদল করলাম।

রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত বদল করে তৃণমূলে যোগ বাবুলের
বাবুলের কথায়, রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হৃদয় থেকে। তখন তৃণমূলে আসার বা অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিল না। পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতোই একটা বড় সুযোগ চলে এল। বাংলার হয়ে কাজ করার মতো এত বড় সুযোগ আর পাব না। তাই হাতছাড়া করতে চাইনি। সেই কারণেই রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত বদল করে তৃণমূলে যোগ দিলাম।

কী সেই সুযোগ? যা বাবুল সুপ্রিয়কে দিতে গেল তৃণমূল
কিন্তু প্রশ্ন হল, কী সেই সুযোগ? যা বাবুল সুপ্রিয়কে দিতে গেল তৃণমূল? সে জন্যই কি তড়িঘড়ি অর্পিতা ঘোষকে সাংসদ পদ থেকে সরিয়ে সংগঠনে আনা হল? বাবুল সুপ্রিয়কে কি তবে অর্পিতা ঘোষের জায়গায় রাজ্যসভায় পাঠানো হবে। আর কাউকে যদি রাজ্যসভায় পাঠানো হয়, তা বাংলায় কাজের জন্য বিরাট বড় সুযোগ হবেই বা কেন? এখন বাবুলের ওই মন্তব্য নিয়েই কাটাছেঁড়া করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

বাবুলকে যদি রাজ্যসভায় পাঠানো হয়, সেটা নতুন আর কী!
বাবুল সুপ্রিয়কে যদি রাজ্যসভায় পাঠানো হয়, সেটা নতুন আর কী! তিনি তো লোকসভার সাংসদ ছিলেন সাত বছর। সাত বছর ছিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। তাহলে সাংসদ পদ তাঁর কাছে বড় সুযোগই বা হবে কেন? বাবুল সুপ্রিয় বলেন, সোমবার দুপুর তিনটেয় যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেবেন। ডেরেক ও'ব্রায়েনও ওইদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করার কথা বলেন।

কেন তৃণমলে যোগ দিয়েছেন, তার উত্তর পেতে অপেক্ষা
রাজনৈতিক মহলকে অপেক্ষা করতে হবে বাবুলকে নিয়ে তৃণমূলের কী পরিকল্পনা রয়েছে তা জানার জন্য। তৃণমূল তাঁকে কী অফার দিয়েছে, কী সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি বলে দেড় মাসের মধ্যে মত বদল তিনি রাজনীতিতে এসেছেন এবং তৃণমলে যোগ দিয়েছেন, তার উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ।












Click it and Unblock the Notifications