টিটাগড়ে দুস্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত বিধায়ক রাজ, খোঁজ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা
খোদ নিজের গড়েই আক্রান্ত হলেন বারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। টিটাগর বড়ো মসজিদের কাছে একটি পার্ক উদ্বোধন করতে দিয়েছিলেন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। সেখান থেকে বেরিয়ে আরো একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তার ওপর হামলা চালায় একদ
খোদ নিজের গড়েই আক্রান্ত হলেন বারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। টিটাগড় বড়ো মসজিদের কাছে একটি পার্ক উদ্বোধন করতে গিয়ে ছিলেন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। সেখান থেকে বেরিয়ে আরো একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তার ওপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। এমনটাই অভিযোগ। তবে কোনও ভাবে রক্ষা পেয়ে যান বিধায়ক।

যদিও তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর দেহরক্ষী। শুধু রাজ নয়, টিটাগড়ের পুর প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরির উপরেও হামলার অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়ে যায়।
অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ব্যাপক পুলিশবাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। ঘটনাস্থলে যান খোদ কমিশনারেটের কমিশনার। জানা গিয়েছে, সিসিটিভি সহ অন্যান ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।
অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, তাঁকে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানতে চান। পুরো বিষয়টিই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে জানিয়েছেন বলে দাবি রাজের।
শুধু তাই নয়, তৃণমূলের বিধায়ক আরও জানিয়েছেন, আমি বা আমাদের দল কখনও ক্রিমিনালদের প্রশয় দেয় না। আর সেই কারনেই আমার উপরে এই হামলা বলে দাবি রাজের। তিনি আরও জানান, আমি পাঁচ বছর থাকবই। কেউ সরাতে পারবে না। তার আগেই দুর্বৃত্তায়ন বন্ধ করে দেব। অন্যদিকে এই ঘটনার পিছনে বিজেপি রয়েছে বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। যদিও এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কেউ বা কারা জড়িত নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নেতৃত্বের তরফে।
জানা গিয়েছে, প্রথমে বারাকপুর বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর ওপরেই হামলার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষী থাকার কারণে দুষ্কৃতীরা রাজের ওপর হামলা চালাতে ব্যর্থ হয়। কার্যত ফস্কে বেরিয়ে যায় আঘাত। এরপরেই দুষ্কৃতীরা নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর হামলা চালায়।
তৎক্ষণাৎ তৃণমূল কর্মীরা জড়ো হলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এরপরই এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, পুলিশ কমিশনারে জয়েন্ট সিপি অজয় ঠাকুর, খড়দা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক।
এরপরেই সেখানে উপস্থিত হয় বিধায়ক সুবোধ অধিকারী, নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক, কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র । রাজের সঙ্গে কথা বলে পুরো ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান তাঁরা। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications