দিদি তো বকুনি দেনই, অনুশাসন না মানলে অনুব্রতকে ‘শাসন’ করেন অন্য একজনও
তিনি নিজে কিন্তু অনুতপ্ত হন ওইসব কথা বলার পর। কারণ বাড়িতে গেলেই তাঁকে শুনতে হয়- বাবা, তুমি ওমন কথা বললে কেন?
বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডলের মুখ ফসকে মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়ে কু-কথা। চোখাচোখা ডায়লগে বিপক্ষকে কাত করতে গিয়ে বাজে কথার রাজনীতিতে তাঁর নামে অভিযোগ ওঠে বারবার। তিনি নিজে কিন্তু অনুতপ্ত হন ওইসব কথা বলার পর। কারণ বাড়িতে গেলেই তাঁকে শুনতে হয়- বাবা, তুমি ওমন কথা বললে কেন?

বাবা, কেন ওমন কথা বললে!
তখন আরও কষ্ট নয়। অনুব্রত মণ্ডল নিজেই বললেন, দিদি তো বকেনই। কিন্তু মেয়ে যখন বাড়ি ফিরলে বলে, বাবা কেন অমন কথা বললে, তখন যে কষ্ট হয়, তা বলে বোঝাতে পারব না। মেয়েই আমাকে শাসন করে। স্ত্রীও কষ্ট পায় আমি বাজে কথা বলে ফেললে। আর আমার স্ত্রী-মেয়ে যখন শোনে- দিদি আমায় বকেছে, ওঁরা খুব খুশি হয়।

পুলিশকে বোম মারো বলতে চাইনি
অনুব্রত মণ্ডল বাংলার জনপ্রিয় এক বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারভিত্তিক এক অনুষ্ঠানে আরও বলেন, আমি বাজে কথা বলতে চাই না মাঝেমধ্যে স্লিপ অফ টাং হয়ে যায়। এই ধরুন না ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় আমি বলে ফেলেছিলাম পুলিশের গাড়িতে বোম মারুন। আসলে আমি বলতে চেয়েছিলান পুলিশের গাড়িতে বোম মারলে পুলিশ কিন্তু ছাড়বে না।

‘হিট অফ দ্য মোমেন্টে’ স্লিপ অফ টাং
অনুব্রত মণ্ডল এদিন সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে নির্দ্বিধায় স্বীকার করে নেন, আমি আসলে হিট অফ দ্য মোমেন্ট এসব বলে ফেলি। কিন্তু পরে কষ্ট পাই। আসলে হিট অফ দ্য মোমেন্টে ঘটে যায়। যা বলি, তা আদতে স্লিপ অফ টাং। আমি বলতে চাই না। আমার স্ত্রী-মেয়ে যখন বলে কেন আমি ওসব বললান, তখন খুব কষ্ট পাই।

দিদিও বকা দেন কেষ্টকে
শুধু স্ত্রী-মেয়েই নয়, তাঁর এই স্লিপ অফ টাংয়ের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বকাঝকা করেন অনুব্রত মণ্ডলকে। তিনি বলেন, একদিন আমি এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছি, আর দিদি আমাকে ফোন করে খুব বকা দিয়েছেন। বাড়িতে যেতে স্ত্রী-মেয়েও আমাকে বলছে কেন অমন কথা বললাম। আমার সঙ্গী-সাথীরা বলে দেন, বৌদি, আজ দাদাকে এ জন্য বকেছেন দিদি। তখন তাঁরাও খুশি হন।












Click it and Unblock the Notifications