আনিস-কাণ্ডের পর ১৫ দিন অতিক্রান্ত! কোন পথে কিনারা, সংশয় বাড়ছে সিটের তদন্তে
১৫ দিন হয়ে গেল আমতার ছাত্র-নেতা আনিস খান অস্বাভাবিক মৃত্যু রহস্যের। এখনও এক জন হোমগার্ড ও এক জন সিভিক ভলেন্টিয়ার ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি সিট।
১৫ দিন হয়ে গেল আমতার ছাত্র-নেতা আনিস খান অস্বাভাবিক মৃত্যু রহস্যের। এখনও এক জন হোমগার্ড ও এক জন সিভিক ভলেন্টিয়ার ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি সিট। সিট গঠনের পর ১২ দিন কেটে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ১৫ দিনের মধ্যে এই ঘটনার কিনারা করবেন। এখন দেখার আর তিনদিনের মধ্যে সিট কী রিপোর্ট দেয় মৃত্যু-তদন্তে।

এরই মধ্যে আনিসের দেহ কবর থেকে তুলে ফরে ময়নাতদন্ত হয়েছে। কিন্তু তদন্তের কতটা কী অগ্রগতি হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়নি। সিট দু-জনকে গ্রেফতারের পর ওসিকে ছুটিতে পাঠিয়েছে। এর বাইরে তদন্তে কতখানি অগ্রগতি হয়েছে জানা যাবে দু-একদিনের মধ্যেই। কারণ পুলিশ বা সিটও বদ্ধপরিকর এই ঘটনার প্রকৃত কারণ সামনে আনতে।
এখনও প্রশ্ন তাড়া করে বেড়াচ্ছে, কাউকে কি আড়াল করার চেষ্টা করছে পুলিশ। তা না হলে দু-জনকে গ্রেফতারের পরও কাউকে আর গ্রেফতার করা বা চিহ্নিত করা সম্ভবপর হল না কেন। আর কেনই বা পুলিশ এই ঘটনার কোনও অগ্রগতি সামনে আনছে। আনিসের বাবা সালেম খান বারবার বলেছেন, তাঁর বাড়িতে সেদিন রাতে চারজন গিয়েছিলেন। তাহলে দু-জনকে গ্রেফতার করেই থেমে গেল কেন সিট?
অনেকের মনেই প্রশ্ন আমতার ওসিকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের পর, কেন তাঁকে ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হল? তবে কি পুলিশের আরও বড় মাথা রয়েছে এই ঘটনায়? কাউকে কি আড়াল করার চেষ্টা করছে সিট? রাজ্য সরকারের গড়ে দেওয়া বিশেষ তদন্তকারী দল ১৫ দিনের মধ্যে আনিস-কাণ্ডের কিনারা করে দেবে বলে জানিয়েছে। এখন দেখার আর তিনদিনের মধ্যে কী অগ্রগতি হয়।
আনিসের বারা ধৃত দু-জনকে টিআই প্যারেডে শনাক্ত করতে পারেননি। কোন বন্দুকধারী তাঁকে নিশানায় রেখে আনিসের খোঁজে গিয়েছিল, তাও স্পষ্ট হয়নি। এদিকে আনিসের দেহ ময়নাতদন্তের পর মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। আনিসের দেহের কোথায় আঘাত লেগেছে। তাঁর মৃত্যু উপর থেকে পড়েই হয়েছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত। কিন্তু নিশ্চিয় নয়, তাঁকে ঠেলে ফেলে খুন করা হয়েছে। নাকি তাঁকে ঝাঁপ দিতে বাধ্য করা হয়েছে। আবারও এমনও হতে পারে দুর্ঘটনাবশত ছাদ থেকে আনিস পড়ে গিয়েছেন।
সিট এখন কী রিপোর্ট দেয়, তার উপর নির্ভর করছে তদন্তের গতিপ্রকৃতি। আনিসের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় সিটের তদন্তে আস্থা রেখেছে আদালতও। তারপরই তদন্তে সম্মত হয়েছে আনিসের পরিবার। আদালত সিটে আস্থা রাখার পর তদন্ত চলছে। এখন রিপোর্টের অপেক্ষা।












Click it and Unblock the Notifications