এটা স্মাইলি ইলেকশন! কেন এমন বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভোটের প্রার্থী ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! তালিকায় একগুচ্ছ চমক রাখলেন দলনেত্রী। শুধু চমক রাখাই নয়, একগুচ্ছ পুরানো মুখকে সরিয়ে সামনে আনলেন তরুণ মুখকে।
ভোটের প্রার্থী ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! তালিকায় একগুচ্ছ চমক রাখলেন দলনেত্রী। শুধু চমক রাখাই নয়, একগুচ্ছ পুরানো মুখকে সরিয়ে সামনে আনলেন তরুণ মুখকে।
আর তাঁদের উপর আস্থা রেখেই ২১ এর ভোট বৈতরণী পাড় করতে চাইছেন নেত্রী। এবার ভোটে জেতার ব্যাপারে একেবারে আত্মবিশ্বাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কাছে এই ভোট স্মাইলি ইলেকশন!

এটা স্মাইলি ইলেকশন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
এদিন আক্রমণাত্বক নয়, বরং হালকা মেজাজে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কখনও সেখানে উপস্থিত কর্মীদের সঙ্গে মজা করলেন তো আবার কখনও বিরোধীদের উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে দিলেন খেলা হবে স্লোগান। বললেন, খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে। ' আবার কখনও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে শোনা গেল, এই ভোট তো স্মাইলি ইলেকশন। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই কি কঠিন হবে? সেই প্রসঙ্গেই এমন মন্তব্য করেন দলনেত্রী।

বহিরাগত ইস্যুতে আরও একবার বিজেপিকে নিশানা
এবারেরই লড়াই কি কঠিন? সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমতা বলেন, শেষ কথা বলবেন বাংকার মানুষ। তবে বহিরাগত ইস্যুতে আরও একবার বিজেপিকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করলেন, সাংবিধানিক পদমর্যাদার ব্যক্তিদের গাড়িতে টাকা আসছে রাজ্যে। কোথায় হোটেলে বসে কি হচ্ছে সমস্ত খবর তিনি রাখেন বলে মন্তব্য করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর দাবি, স্বচ্ছ নির্বাচন চাই। বাংলাকে বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে শাসন করতে দেব না আরও একবার হুঁশিয়ারি দেন নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, যারা বাংলায় বাস করেন বা ভোটপ্রচারে আসছেন, তাঁদের বহিরাগত বলছি না। বিভিন্ন রাজ্য থেকে হাজার হাজার লোককে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন কোন হোটেলে আছে জানি! রাতে এক হোটেল থেকে আর এক হোটেলে গিয়ে অপারেট করছে। এমনকি সাংবিধানিক পদমর্যাদার ব্যক্তিদেরও কাজে লাগাচ্ছে। ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে টাকা কেন যাবে! নিজেরা নিজেদের রাজ্য সামাল দিন।

বিজেপি বাংলা আসলে সর্বনাশ!
বাংলায় বিজেপি আসলে সর্বনাশ হবে! এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, 'বাংলায় শাসন তাঁরাই করবে, যাঁরা এখানে আছি। আমরা বাংলাকে চিনি। বাংলার সংস্কৃতি যারা জানে না, সভ্যতা জানে না, শিক্ষা জানে না, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মস্থান জানে না, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে দেয়, তারা বাংলা শাসন করবে না। এটা বাংলার অস্তিত্বের ঠিকানা রক্ষার লড়াই। জনগণের প্রতি ১০১% ভরসা আছে। বিজেপি আসা মানে বাংলার সর্বনাশ। তৃণমূলকে আনা মানে বাংলায় স্বর্ণ সকালের নতুন উদ্যোগ।! তালিকা প্রকাশের সময়ে বললেন মমতা।

টপ অব দ্য টপ'
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের লড়াই নিয়ে মন্তব্য করে গিয়ে বলেন,' টপ অব দ্য টপ' হতে চলেছে এই লড়াই। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের বহু চেষ্টার পরও মান অভিমানের পালা চলেছিল দলের মধ্যে। সময়টা ২০২০ সালের শেষদিক। এরপরই তৃণমূল ত্যাগ করে ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। পর্বর্তীকালে শুভেন্দুর গড় নন্দীগ্রামে মমতা সভা করতে গিয়ে সেখান থেকে নিদের প্রার্থীপদ ঘোষণা করেন। জানান নন্দীগ্রাম তাঁর লাকি জায়গা। তিনি সেখান থেকেই দাঁড়াতে চান।












Click it and Unblock the Notifications