Adhir writes Mamata: জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের অপহরণ করছে তৃণমূল, মমতার দ্বারস্থ হলেন অধীর
পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরও সন্ত্রাস চলছে বাংলায়। জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের অপহরণ করা হচ্ছে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা চিঠিতে অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের ভয় দেখিয়ে একপ্রকার জোর করে তৃণমূলে যোগদান করানো হচ্ছে। রাজ্যের পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের আগে যা হচ্ছে, তা বন্ধ করুন অবিলম্বে।

অধীর চৌধুরী এই মর্মে প্রশ্ন তোলেন, বিরোধী প্রার্থীদের অপহরণের যে সব অভিযোগ উঠেছে, তা কি নির্বাচনের জয়ের জন্য কোনও সভ্য পদ্ধতি। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। তারপরও তারা বিরোধী জয়ী প্রার্থীদের ভয় দেখিয়ে দলে নিচ্ছে। এই ঘৃণ্য রাজনীতি বন্ধ হওয়া দরকার।
অধীর চৌধুরীর জেলা মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। তারপরে দেখা গিয়েছে সেই প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। আসলে ওই প্রার্থীকে ভয় দেখিয়ে বাধ্য করা হয়েছে তৃণমূলে যোগ দিতে। যদিও তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
শুধু কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গেই এই ব্যবহার করা হচ্ছে না, সিপিএম বা বামফ্রন্ট ও বিজেপি প্রার্থীদেরও ভয় দেখিয়ে তৃণমূলে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে। সম্প্রতি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মথুরাপুরে বিরোধী প্রার্থীদের ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ সিপিএম নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের। তাঁরা আত্মগোপন করেছিলেন।
এ সবের পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা অধীর চৌধুরীর চিঠি রাজনৈতিক মহলে সাড়া ফেলে দেয়। তিনি চিঠিতে অভিযোগ করেন, হিংসার ঘটনা সত্ত্বেও কংগ্রেস প্রার্থীরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। তারপর পুলিশ, রাজনৈতিক নেতা ও গুন্ডারা তাঁদের ভয় দেখাচ্ছেন।
অধীর লেখেন, খুনের হুমকি, মামলার ভয় দেখিয়ে তৃণমূলে ভেড়ানো হচ্ছে তাঁদের। এমন চলতে থাকলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হতে পারে ভবিষ্যতে। তৃণমূল ক্ষমতা পেয়েছে, তাতেও সন্তুষ্ট নয়। আরও ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চাইছে। এক ভয়ঙ্কর খেলায় মেতেছে তৃণমূল। মানুষের রায়কে তাঁরা অসম্মান করছে।
মমতার উদ্দেশে অধীর লেখেন, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আপনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় রয়েছেন। রাজ্যে নির্বাচনে জেতার জন্য তাই এই ধরনের নোংরা পন্থা অবলম্বন করবেন না। বিরোধী প্রার্থীদের উপর অত্যাচার বন্ধ করা হোক। তিনি ব্যক্তিগতভাবেও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। চিঠিতে তিনি পুলিশরে ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications