গোটা শিক্ষা দফতর আগ্নেয়গিরি! বিধানসভায় মন্তব্যে ক্ষমা চান দিদির দলের বিধায়ক, বিস্ফোরক অধীর চৌধুরী
এসএসসিতে (SSC) ভুয়ো নিয়োগের ঘটনায় শিক্ষা দফতরকে নিশানা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। গোটা শিক্ষা দফতরই ঘুঘুর বাসা বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্
এসএসসিতে (SSC) ভুয়ো নিয়োগের ঘটনায় শিক্ষা দফতরকে নিশানা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। গোটা শিক্ষা দফতরই ঘুঘুর বাসা বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)দিল্লি সফরের সময়ে রাজ্যে সারের আকাল-সহ বিভিন্ন অসুবিধার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।

বিচারপতিকে অভিনন্দন
এদিন স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টে ক্ষোভপ্রকাশে প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে, সেখানে ঘুঘুর বাসা রয়েছে। এদিন এমনটাই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই ঘুঘুর বাসা থাকার কারণে কলকাতার রাজপথে বিষ পান করতে দেখা গিয়েছে কোনও মহিলাকে। এদিনের বিচারপতি যে মন্তব্য করেছেন, তার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ শুধু নয় অভিনন্দনও জানাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী। গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই দুর্নীতির আখড়ার রূপান্তরিত হয়েছে। সেখানে যেমন চাকরি পেতে পয়সা দিতে হচ্ছে, তেমনই বদলি হতেও পয়সা দিতে হচ্ছে।

গোটা শিক্ষা দফতর আগ্নেয়গিরি
অধীর চৌধুরী বলেছেন, দুর্নীতির কারণে গোটা শিক্ষা দফতর আগ্নেয়গিরিতে পরিণত হয়েছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, সেখানে একটাই স্লোগান, টাকা দাও। টাকা দিলে কাজ হবে, টাকা না দিলে কাজ হবে না। তিনি বলেন, পয়সা ফেকো, তামাশা দেখো। এটাই স্লোগান পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা দফতরের। তিনি বলেছেন, বিচার ব্যবস্থার হস্তক্ষেপে যদি কিছু সমাধান হয়, তাহলে সমাজের মঙ্গল। তিনি বলেছেন, দাসত্ব নয়, যোগ্যতার প্রমাণ হোক।

ক্ষমা চান দিদির দলের বিধায়ক
বিধানসভায় বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাবে আলোচনা করতে গিয়ে দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন। এনিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এদিন অধীর চৌধুরী বলেছেন, বিএসএফ-এর সবাই খারাপ নন। সেখানে মহিলা-পুরুষ সবাই কাজ করেন। দিলির দলের যিনি বিএসএফকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করেছে তাঁর কান ধরে উভবস করে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। অধীর চৌধুরী প্রশ্ন করেন, পুলিশ কি কোনও খারাপ কাজ করে না, সেই সময় তো মুখ দিয়ে আওয়াজ বেরোয় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সন্তুষ্ট করতেই উদয়ন গুহ-র এই পদক্ষেপ বলেও মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আর্জি
এদিন অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন সারের সংকটে ভুগছে বাংলা এবং তাঁর জেলা মুর্শিদাবাদ। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রী সামনেই যে দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন, সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় সার নিয়ে কথা বলুন। জেলার বৈধ বাণিজ্যের জন্য চেকপোস্ট দরকার, সেই ব্যাপারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন, চারঘাটে চেকপোস্ট তৈরি করার জন্য তিনি আগেই চিঠি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে।












Click it and Unblock the Notifications