অভিষেককে নিয়ে বিজেপি-তৃণমূল সমঝোতার অভিযোগ! কেষ্ট-বালু-পার্থকে নিয়ে মমতার অবস্থানে প্রশ্ন অধীরের
ইডির নোটিশ মতো এদিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁকে এদিন ডাকা হয়েছিল নথি জমা দিতে। ইডির অফিস থেকে বেরিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে অধীর চৌধুরী বলেন, এগুলো কিছই না, সমঝোতা চলছে।
সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে করা সাংবাদিক সম্মেলনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁকে নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। তিনি ছয় হাজার পাতার নথি এদিন জমা দিয়েছেন। ইডি চাইলে আগামী দিনে ফের তিনি আসবেন। তাঁর কিছু লুকনোর নেই, তাই নিজের আইনজীবীদের বারণের পরেও তিনি হাজিরা দিয়েছেন বলে জানান অভিষেক।

এই প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, আজকে সে চা খেয়ে চলে যাচ্ছে। গ্রেফতার করার হলে অনেক আগেই গ্রেফতার করতে পারত। এঁদের জন্য ইডি-সিবিআই অনেকটাই সুতো ছেড়ে রেখেছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, তারাই বলে দিচ্ছে ইন্ডিয়া জোট করতে যেও না। তাদের (বিজেপি) বিরুদ্ধে বেশি বলতে যেও না। অল্প বলে চলো, তাতে তোমরা-আমরা থেকে যাবো।
অধীর চৌধুরী এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডির দফতরে হাজিরা প্রসঙ্গে বলেন, খোকা বাবুকে বেশি বিরক্ত না করে, চা খাওয়ানোর পরে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে নির্দিষ্ট কাউকে বলির পাঠা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকদের জেল যাত্রা প্রসঙ্গ অধীর চৌধুরী বলেন, বীরভূমের কেষ্ট এতদিন ধরে জেলে, আরও একজন বালুও এখন জেলে, পার্থবাবু তাঁর পরিবার নিয়ে জেলে রয়েছেন, তাতে দিদির কোনও হেল্প নেই। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, দিদির হেল্পলাইন তখনই খোলা হবে, যদি খোকাবাবুর কিছু হয়, না হলে দিদির কিছুই করার নেই। এনিয়ে আন্দোলন, ধর্না, মিছিল-মিটির সব বন্ধ, বলেন তিনি।
মহুয়া মৈত্র ইস্যুতে অধীর চৌধুরী বলেন, তৃণমূলের দম নেই। কারণ বিজেপির কাছে তারা মাথা নিচু করে বসে আছে। বিজেপির কাছে আত্মসমর্পণ করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কিছু করা যায় না, বলেন তিনি। কিছুদিন পরে বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন হবে। রাজ্য তাই আজকে চুপ করে আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।
অন্যদিকে, অধীর চৌধুরী এথিক্স কমিটির কাজ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যাঁরা এথিক্স কমিটির নেতৃত্ব দিয়ে চলেছে, তাঁরা বলছেন মহুয়া মৈত্র অনৈতিক কাজ করেছেন। যাঁরা আজ আইনের কথা বলছেন, তাঁরাই সমবাদমাধ্যমের কাছে সব তথ্য দিয়ে নিয়ম ভাঙছেন বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা।












Click it and Unblock the Notifications