Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

কোচবিহারে সব আসন জেতার ডাক দিলেন অভিষেক, সভায় হাজির ১০ 'মৃত' ভোটার

নির্বাচন কমিশন এসআইআরের মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। কোচবিহারের জনসভায় এই মন্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

অভিষেক এদিন সভাস্থলে ১০ জন ব্যক্তিকে হাজির করেন যাঁদের খসড়া তালিকায় মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।

অভিষেক বলেন, "এঁরা কোচবিহারেই জন্মেছেন ও বড় হয়েছেন, কিন্তু বিজেপি-র 'পুতুল' নির্বাচন কমিশন তাঁদের মৃত ঘোষণা করেছে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।" উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার জনসভায়ও তিনি একই অভিযোগে তিনজনকে হাজির করেন।

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে "জনগণের জন্য কাজ না করে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার" অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, কোচবিহার জেলায় এসআইআর চলাকালীন তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে প্রায় ৩.৫ লক্ষ মানুষকে নোটিশ পাঠিয়েছে কমিশন। তিনি তৃণমূল কর্মীদের নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান।

অভিষেক বলেন, "শুধু রাস্তা, আবাসন বা জলের অর্থ নয়, বিজেপি সরকার আমাদের মৌলিক ভোটাধিকারও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।" তাঁর দাবি, এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ থেকে বাংলায় প্রায় ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার জন্য বিজেপি দায়ী।

অভিষেকের অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ শীর্ষ বিজেপি নেতারা কোচবিহারের মানুষকে দেওয়া কোনও প্রতিশ্রুতিই রাখেননি। তিনি বলেন, "নারায়ণী ব্যাটালিয়ন তৈরি, চিলারায়ের নামে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন থেকে মদন মোহন মন্দিরকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা - বিজেপি কিছুই করেনি। কোচবিহার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মর্যাদা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও কেন্দ্র সরকার রাখেনি। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে চালু হওয়া কোচবিহার-কলকাতা ৯-সিটার উড়ান পরিষেবা এ মাসের শেষে বন্ধ হচ্ছে।"

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের ৯টি আসনেই তৃণমূল প্রার্থীদের ভোট দিতে আহ্বান জানান অভিষেক। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে বিজেপি ৬টি ও তৃণমূল ৩টি আসন পেয়েছিল। তিনি বলেন, "২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে হারানোর জন্য কোচবিহারের মানুষকে ধন্যবাদ।" অভিষেক জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে পরপর চতুর্থবারের মতো তৃণমূল সরকার গঠিত হবে। বিজেপি নেতৃত্বকে রাজ্যের বুদ্ধিজীবী মহলকে অপমান করার অভিযোগে বলেন, "এই লড়াই বাংলার মানুষ বনাম বিজেপির।"

৮ জানুয়ারি ইডি-র আই-প্যাক অফিস ও সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাসভবনে অভিযানের প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, "ইডি পাঠিয়ে তারা তৃণমূলকে ভয় দেখাতে চেয়েছিল, কিন্তু নিজেদের অবস্থান দেখানো হয়েছে।" মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে গিয়ে অভিযোগ করেন, ইডি তাঁর দলের নথি ও হার্ডডিস্ক বাজেয়াপ্ত করছিল।

"জয় বাংলা" স্লোগান নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতাদের কটুক্তির জবাব দিয়ে সাংসদ বলেন, "দেশের রাষ্ট্রপতিও তার সফরের সময় এই স্লোগান দিয়েছেন, তাহলে এরা কারা?" অভিষেক বিএসএফের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে জমিতে কাজ করা নিরপরাধ কৃষকদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, বিজেপি নেতৃত্ব "বাংলার ঐতিহ্য সম্পর্কে অজ্ঞ" এবং "রাজ্যকে অপমান করছে"।

অসম সরকার কোচবিহারের কিছু বাসিন্দাকে এনআরসি নোটিশ পাঠাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "সেই রাজ্যের বিজেপি সরকারের এমন করার কী অধিকার আছে? আমি সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই, বাংলার মানুষের সঙ্গে বিবাদ করবেন না; এটা মধ্যপ্রদেশ বা গুজরাত নয়।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+